শনিবার, মার্চ ৬, ২০২১
রাত ১২:৩৯

আজ শনিবার ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ | ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিজ্ঞাপন বা যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ +88 01880 16 23 24

Home Blog

বিস্ফোরণের মুখে তাজমহল, সরিয়ে নেয়া হয়েছে এলাকার জনসাধারণকে

0

অন্যান্য সব দিনের মতো চৌঠা মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য ছিলো আগ্রার তাজমহল। হঠাৎ সোরগোল শুরু হয়ে যায় জন সাধারনের মধ্যে। বোমা আতঙ্কে হৈচৈ পরে যায় চারিদিকে। মহলের সব প্রধান দরজা বন্ধ করে দেয়া হয়। মুহূর্তের মধ্যেই জনশূন্য হয়ে যায় পুরো তাজ মহল। জন সাধারণকে সেভ জায়গায় নিয়ে এলাকা খালি করে ফেলে স্থানীয় পুলিশ বাহিনী।

পুলিশ জানিয়েছে, নাম পরিচয়হীন অজ্ঞাত এক ব্যক্তি প্রথম পুলিশকে ফোন করে এবং বলে তাজ মহলে বোমা পুতে রাখা হয়েছে যাতে অনেক মানুষের প্রাণহানির আসঙ্কা রয়েছে। খবর পাওয়া মাত্রই এক চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়। হৈচৈ পরে যায় সব জায়গায় কারন তাজমহলে শুধু দেশিও মানুষই নয় অনেক বিদেশী পর্যটকও দেখতে আসেন। খবর পাওয়া মাত্রই ভারতের বম্ব ডিস্পোজাল বাহিনী পৌছে যায় তাজমহলে। CISF ও বম্ব ডিস্পজাল বাহিনী তাজমহলের বিভিন্ন স্থানে তল্লাশি অভিজান চালায়।

বোমার খবরটি সর্বপ্রথম আলীগড় থেকে এসেছিল বলে জানিয়েছেন সেখানকার স্থানীয় পুলিশ পরবর্তীতে ফিরোজাবাদ থেকেও এই একই খবর পুনরায় আসার কথা নিশ্চিত করে পুলিশ। দ্বিতীয়বারের মতো একই খবর পাওয়ায় ব্যপারটি গুরুত্বের সাথে দেখছে পুলিশ।

করনাকালীন সময় সংক্রমণ ঠেকাতে বন্ধ রাখা হয়েছিলো তাজমহল। দীর্ঘ প্রায় ৬ মাস পর বিগত ২০২০ সালের সেপ্টেম্বারে দর্শনার্থী ও পর্যটকদের জন্য খুলে দেয়া হয় তাজমহল। তবে সংক্রমণ ঠেকাতে এখনো সকল ধরনের বিধিনিষেধ ও নিয়ম কানুন মেনেই পর্যটকরা দর্শন করতে আসছে পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি তাজমহলকে।

পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের একটি হোল ভারতের আগ্রার তাজমহল। তাই দেশি-বিদেশি সকল পর্যটকদের আকর্ষণের একটি কেন্দ্রবিন্দু হলো আগ্রার তাজমহল। প্রতি বছর প্রায় সত্তর লাখ পর্যটক বিনোদনের জন্য দর্শন করতে যায় এই তাজমহল। এছাড়াও প্রায় ত্রিশ লাখ লোক প্রতিবছর আগ্রা ফোর্টে ঘুরতে যায়। ভারতের উত্তর প্রদেশের সরকার প্রতিবছর এই দুই পর্যটন কেন্দ্র থেকে বিপুল পরিমান টাকা ইনকাম করে।

বাড়ি বানানোর টাকা না থাকায় যা করলেন এই দম্পতি

0

ক্যানাডিয়ান দম্পতি ক্যাথরিন কিং এবং ওয়েন অ্যাডামস টাকার অভাবে যখন নিজেদের বাড়ি বানাতে পারছিলো না তখন তাদের মাথায় একটি দারুন আইডিয়া আসে , তারা নদীর উপরেই বাসা বানানোর সিদ্ধান্ত নেয়।এই ক্যানাডিয়ান দম্পতি গত 24 বছর ধরে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার তোফিনোর কাছে একটি হোমমেড দ্বীপে বাস করে।
তারা একটি হাত করাত,একটি হাতুড়ি ও একটি শাবাল নিয়েই কাজ শুরু করে দেয় । নদীর উপরেই একটি প্লাটফর্ম বানিয়ে সেখানে একটি বাসা তৈরি করে শুধু মাত্র থাকার জন্য অনেক বছর ধরে অক্লান্ত প্ররিশ্রম দিয়ে তারা এই রকম আরও ১২ টি প্লাটফর্ম তৈরি করেন । এবং ধীরে ধীরে একটি আইল্যান্ড তৈরি করে ফেলেন নদীর উপর । এই আইল্যান্ড এ রয়েছে থাকার জন্য বাড়ি , ওয়্যারহাউজ , নৃত্যের ফ্লোর,এমন কি রয়েছে লাইট হাউজ , চারটি গ্রিনহাউস এবং আরও অনেক কিছু নির্মাণ করেছেন। তারা সোলার প্যানেল এর মাধ্যমে আবার কখনও জেনারেটর দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে । তারা নিজেদের খাবার নিজেরা গ্রিনহাউস এ তৈরি করেন । নদী থেকে মাছ ধরে তারা আমিষের চাহিদা পূরণ করে এবং কাছের একটি ঝর্ণা থেকে পানির চাহিদা মেটান। তাদের দুটি বাচ্চাকেও সেখানে তারা লালন পালন করেছে।
ওয়েন বলেছিলেন: “আমি এর প্রতিটি বোর্ড জানি এবং তাদেরকে এক এক নাম দিয়ে পেরেক দিয়েছি।” নদীর উপর এই আইল্যান্ড দ্বীপটির উপকূলে বাঁধা এবং ওয়েইনের অনুমান যে এর ওজন প্রায় 500 টন।
ওয়েইন বলেছিল যে সে কখনই সি সিক হয় না এবং প্রকৃতপক্ষে, “আমি যখন শহরে যাই তখন আমি ল্যান্ড সিক হয়ে পড়ি।” এরকম আশ্চর্যজনক কাঠামো দেখার পরে, আমরা বুঝতে পারি কেন এটা হয়।
এই দম্পতি — ওয়েন অ্যাডামস একজন কার্ভার এবং ক্যাথরিন কিংএকজন অবসরপ্রাপ্ত বলেরিনা, লেখক ও চিত্রশিল্পী । তারা 1992 সালে আইল্যান্ডটি তৈরির কাজ শুরু করেছিলেন ।
ওয়েন অ্যাডামস এবং ক্যাথরিন কিং “ফ্রিডম কোভ” অঞ্চলটিতে আইল্যান্ডটি তৈরি করেছেন । সম্পূর্ণ পরিবেশ বান্ধব এই বাড়িটিতে দূর দূরান্ত থেকে অনেক মানুষ ভিসিটিং করতে আসে । ফ্রিডম কোভে যাওয়ার জন্য, আপনাকে পানিতে ভ্রমণ করতে হবে তবে ওয়েইন এবং ক্যাথারিন আইল্যান্ডটি ভিসিটিং করার জন্য ট্যুর সরবরাহ করে থাকে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ভুল সংশোধন

0

আমরা আমাদের দেশের নাগরিক হিসেবে পরিচিতি এবং রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা পেতে গেলে প্রতিটা নাগরিকেরই জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড থাকা একান্ত জরুরি এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমরা সবাই জানি সরকারি ও বেসরকারি অনেক সেবা পেতে আমাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের প্রয়োজন হয়। আজ আমি বলব যাঁরা নতুন বা পুরনো জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড আছে বা করতে চান, তাঁদের অনেকেই এ বিষয় সম্পর্কে জানে না যে কীভাবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে ভুল হলে কি করতে হবে, এ জন্য কোথায় যেতে হবে , কী কী করা প্রয়োজন ইত্যাদি।
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড হারিয়ে গেছে ? বা পরিচয়পত্রে ভুল তথ্য রয়েছে ? যা সংশোধন করা প্রয়োজন ? এই সমস্যায় এমন অনেকেই রয়েছে কিন্তু বুঝতে পারছে না, তাঁরা কীভাবে নতুন পরিচয়পত্র পাবে বা ভুল তথ্য ঠিক করবে । আপনাদের মনে এই তথ্য সংশোধন নিয়ে অনেক রকম প্রশ্নের জন্ম নিয়েছে। তাই আজ আমি নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে এরকম ২২টি প্রশ্নের উত্তর জানাবো যা আপনাদের জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের সকল প্রশ্নের সমাধান দিয়ে দিবে ।

তো প্রথমে জানতে হবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের তথ্য ভুল হলে কিভাবে সংশোধন করা যায়?

প্রথমে আপনার এনআইডি কার্ডটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য উইং বা উপজেলা বা থানা বা জেলা নির্বাচন অফিসে যেয়ে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। যে সব ভুল সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে সেই তথ্যের পক্ষে পর্যাপ্ত পরিমাণ উপযুক্ত ও সঠিক কাগজপত্র আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে কোন সংশোধন করা হলে তার কি কোন রেকর্ড রাখা হবে?
হ্যা হবে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের সকল সংশোধনের রেকর্ড রাখা হয় যা সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা থাকে।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে যদি ভুলক্রমে আপনার পিতা/স্বামী/মাতাকে মৃত হিসেবে উল্লেখ করা হয় তবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধনের জন্য কি কি সনদপত্র জমা করতে হবে?

আপনার জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে ভোটার আইডি কার্ডে উল্লেখ করার কারণে , আপনার পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট জীবিত ব্যক্তির পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে।

ধরুন আপনি অবিবাহিত ,আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে পিতার জায়গায় পিতা না লিখে স্বামী লেখা হয়েছে। তখন কিভাবে ভোটার আইডি কার্ড সংশোধন করতে হবে ?

আপনার সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যেয়ে আপনি যে বিবাহিত নন সেই মর্মে সকল প্রমাণ জমা দেওয়া সহ আবেদন করতে হবে।

ধ্রুন আপনার বিয়ের পর আপনি আপনার স্বামীর নাম সংযোজন করতে চান আপনার ভোটার আইডি কার্ডে , তাহলে এই সংযোজনের প্রক্রিয়া কি ?

আপনি আপনার নিকাহনামা ও আপনার স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের ফটোকপি একসাথে সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে এ যেয়ে তাদের বরাবর আবেদন করতে হবে।

যদি আপনার বিবাহ বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তবে সেক্ষেত্রে তখন জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড থেকে আপনার স্বামীর নাম কিভাবে বাদ দিতে হবে?
আপনার বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত সকল কাগজপত্র (তালাকনামা) সংযুক্ত করে এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং বা সংশ্লিষ্ট উপজেলা বা থানা বা জেলা নির্বাচন অফিসে জমা দিতে হবে ও আবেদন করতে হবে।

আপানার বিবাহ বিচ্ছেদের পর আপনি যদি নতুন বিয়ে করেন তবে তখন আগের স্বামীর নামের জায়গায় বর্তমান স্বামীর নাম জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে কিভাবে সংযুক্ত করতে পারবেন ?
আপনার প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামার কাগজপত্র ও পরবর্তী বিয়ের কাবিননামার কাগজপত্রসহ একটি সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আপনার আবেদন করতে হবে।

আপনি আপনার পেশা পরিবর্তন করতে চান কিন্তু কিভাবে করতে পারেন তা জানেন কি ?
NID Registration Wing /উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনার প্রামাণিক কাগজপত্র সব জমা দিতে হবে। জেনে রাখা ভাল যে , আইডি কার্ডে এ তথ্য লেখা থাকে না।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড এর ছবি অস্পষ্ট বা বুঝা যায় না আপনি আপনার ছবি পরিবর্তন করতে চান তবে কি করা দরকার?
সেক্ষেত্রে আপনার নিজে সরাসরি উপস্থিত থেকে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান ভুল তা সংশোধন করতে হলে আপনার আবেদনের সাথে কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে?

আপনার ভোটার আইডি কার্ডে নিজ/পিতা/স্বামী/মাতার নামের বানান ভুল থাকলে এসএসসি / সমমান সনদ, জন্মসনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সনদ, চাকুরীর বিভিন্ন প্রমাণপত্র, নিকাহ্নামা ও বিয়ের কাগজপত্র , পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সত্যায়িত করে জমা দিতে হবে।

আপনার নিজের ডাক নাম বা অন্য নামে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে নিবন্ধিত হলে সংশোধনের জন্য আবেদনের সাথে কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে?
এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে ।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে পিতা/মাতাকে ‘মৃত’ উল্লেখ করতে চাইলে কি কি সনদ জমা করতে হয়?
জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে যে ব্যক্তি মৃত তার সনদ জমা করতে হয়।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে আপনার ঠিকানা কিভাবে পরিবর্তন/ সংশোধন করা যায়?

আপনার শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে তার অবস্থান পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের মাধ্যমে আবেদন ফর্ম ফিলাপ করে সংশোধন করা যাবে।

আপনি বৃদ্ধ ও অত্যন্ত দরিদ্র ফলে বয়স্ক ভাতা বা অন্য কোন ভাতা আপনার খুব প্রয়োজন। কিন্তু আপনার নির্দিষ্ট বয়স না হওয়ার ফলে কোন সরকারী সুবিধা পাচ্ছেন না। অনেকেই বলে জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে এ বয়সটা বাড়ালে ঐ সকল ভাতা পাওয়া যাবে?
আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড এ দেওয়া বয়স প্রমাণসহ কাগজপত্র ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। জেনে রাখা ভাল যে , প্রমাণসহ কাগজপত্র তদন্ত ও পরীক্ষা করে এবং তদন্ত ফলাফল সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়ে থাকে।

আপনার একই পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে পিতা / মাতার নাম বিভিন্নভাবে লেখা হয়েছে কিন্তু কিভাবে তা সংশোধন করা যায়?

সকলের জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রমাণসহ কাগজপত্র আবেদন করতে হবে।

আপনি পাশ না করেও অজ্ঞতাবশত আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা এসএসসি বা তদুর্দ্ধ লিখেছিলেন আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে এখন আপনার বয়স বা আপনার অন্যান্য তথ্য সংশোধনের উপায় কি?
এখন আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে গিয়ে SSC পাশ করেননি এবং ভুলক্রমে এই তথ্য লিখেছিলেন এই মর্মে একটি হলফনামা করেন এবং এর কপিসহ সংশোধনের জন্য একটি আবেদন করেন তবে তা সংশোধন করা যাবে।

আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ড এ অন্য ব্যক্তির তথ্য ভুলে চলে এসেছে। এ ভুল কিভাবে সংশোধন করা যাবে জানেন কি ?
আপনার ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। সেক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক ভাবে যাচাই করার পর সঠিক তথ্য পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভূক্ত বা ভুল সংশোধনের জন্য কি করতে হবে?
আপনার রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা ভুল সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে বয়স/ জন্ম তারিখ পরিবর্তন করার নিয়ম জানতে চান ?
আপনার এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে।এবং এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল কাগজপত্র উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর এই বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ও ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় তথ্য সংশোধন করা হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে স্বাক্ষর পরিবর্তন করতে চান, কিভাবে করতে পারেন ?
আপনার ভোটার আইডি কার্ডে দেওয়ার জন্য নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আপনাকে আবেদন করতে হবে। তবে এই স্বাক্ষর শুধুমাত্র একবারই পরিবর্তন করা যাবে আর যাবে না।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডি কার্ডে আপনার জন্ম তারিখ ঠিক লেখা হয়নি, আপনার কাছে প্রমাণের জন্য কোন কাগজপত্র নেই, কিভাবে সংশোধন করা যাবে ?
আপনার সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে যেয়ে আবেদন করতে হবে। এবং তদন্ত সাপেক্ষে ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডির একটি কার্ড কতবার সংশোধন করা যায়?
জাতীয় পরিচয়পত্র বা ভোটার আইডির এক তথ্য শুধুমাত্র একবারই সংশোধন করা যাবে। তবে ওই তথ্য যুক্তিযুক্ত না হলে কোন ধরনের সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

সারা বংলাদেশে ৩০শে মার্চ থেকে খুলছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, শুরু হবে পাঠদান তবে ক্লাস চলবে না প্রতিদিন

0

ডা. দিপু মনি সচিবালয়ে এক আন্তঃমন্ত্রনালয়ের বৈঠকে বলেছেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৩০ শে মার্চ খুলে দেয়া হবে। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে পরবর্তীতে আবার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। স্কুল কলেজ খোলার পর সব শিক্ষার্থীদের প্রতিনিয়ত স্কুলে যেতে হবে না। বলেছেন, শিক্ষামন্ত্রী।

করোনার ভয়াবহতা থেকে শিক্ষার্থীদের বাঁচাতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছিলো সকল স্কুল ও কলেজ। করোনাকে নিয়ন্ত্রিত করতে পারায় ও ভ্যক্সিনের জন্য করোনার হার কমে যাওয়ায়, ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ৮ টার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন আগামী ৩০ শে মার্চ সারা দেশের সকল স্কুল ও কলেজ খুলে দেয়া হবে।

এই সম্মেলনের সময় শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে সাংবাদিকরা প্রশ্ন তুললে, সেই প্রশ্নের জবাবে ডা. দিপু মনি বলেন, স্কুল খোলার ৬০ কর্মদিবস পর পরীক্ষা গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হবে। অর্থাৎ সকল প্রকার সাপ্তাহিক ছুটি ও ঈদের ছুটি বাদ দিয়ে প্রায় ৬০ দিন বা ২ মাস ক্লাস করার পর পরীক্ষার সময়সূচী নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও জানান, স্কুল-কলেজ খোলার পর এবার রোজায় কোনো প্রকার ছুটি দেয়া হবে না। পঞ্চম, দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীর শুধু মাত্র সাপ্তাহিক দুদিন ছুটি দেয়া হবে। এছাড়া অন্য ক্লাসের শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে ১ দিন ক্লাস করতে হবে। শুধু ঈদের কয়েকদিন ছুটি ছাড়া এবার রোজায়ও ক্লাস করতে হবে।

সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করে। যার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খুলে দেয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। সম্প্রতি আন্দোলনের পর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে ১৭ই মে থেকে খুলে দেয়া হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল হল তবে তার আগে শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দিয়ে দেয়া হবে। ঈদের ছুটির পর থেকেই শুরু হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ৭ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

0

বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্ভুক্ত ৭ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করার কারণে বুধবার সকাল ৯টার দিকে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছিল রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে। পরীক্ষা বন্ধ প্রত্যাহার করে শিক্ষা কার্যক্রম ও ছাত্রাবাস খুলে দেওয়ার দাবিতে শুরু হয় এই বিক্ষোভ । শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড়ে ও সায়েন্স ল্যাবরেটরি অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করলে নিউ মার্কেট-আজিমপুর সড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

সকাল থেকে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে নিউ মার্কেট-আজিমপুর সড়কের উভয় পাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। একটি অংশ পরে সায়েন্স ল্যাব মোড়ও অবস্থান নিলে সিটি কলেজ থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়ক বন্ধ হয়ে যায় শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে । ফলে আশপাশের সড়কগুলোতে যানজটের সৃষ্টি হয়। এই যানজট গাবতলী পর্যন্ত ছড়িয়ে যায়। আন্দোলনকারীরা বলছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তারা অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন।
মনজুর মোর্শেদ ঢাকা শহর তেজগাঁও পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত উপ কমিশনার বলেন, মিরপুর রোডে শিক্ষার্থীদের অবস্থানের কারণে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে, যা গাবতলী পর্যন্ত জ্যাম হয়েছে। তিনি আরও জানান , সব যানবাহনগুলোকে আমরা বিকল্প রাস্তায় বের করে দেওয়ার চেষ্টা করছি ।
মিরপুরের রাস্তায় জ্যাম সাধারণত হয় তারপরও স্বাভাবিক থেকে বেশি ফার্মগেট থেকে শাহবাগ রোডের দিকে গাড়ির প্রচুর চাপ বেড়েছে।
শিক্ষার্থীদের পুলিশ সদস্যরা সড়ক ছেড়ে দেওয়ার জন্য আল্টিমেটাম দিলেও শিক্ষার্থীরা সেখান থেকে যায় নাই। ফলে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল ও হল খুলে দেওয়ার দাবিতে নানা স্লোগান দিচ্ছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
বেলা সোয়া তিনটায় গুগল ম্যাপে দেখা যায়, আবদুল্লাহপুর থেকে মিরপুর রোডে ল্যাব এইড পর্যন্ত সড়কটি থমকে আছে। গুগলের ম্যাপে এই সড়কের ওপর লাল চিহ্ন দেখা গেছে।
শাহবাগ, কাঁটাবন মোড়, বাটা সিগন্যাল ও রমনা পার্কের সামনের সড়ক,পর্যন্ত রাস্তায় খুব জ্যাম । এছাড়া যানজটের সৃষ্টি হয়েছে পুরান ঢাকার বংশাল, নয়াবাজার সড়কেও । জ্যামের একই অবস্থা মহাখালী থেকে সাত রাস্তা পর্যন্ত সড়কেও।
গত সোমবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, আগামী ২৪ মে রোজার ঈদের পর থেকে দেশের সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আবারও শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হবে। ১৭ মে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হওয়ার আগে বিভিন্ন আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হবে এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার আগে আর কোনো ধরনের পরীক্ষা হবে না। আর যেসব বিশ্ববিদ্যালয় পরীক্ষা ও শিক্ষার্থীদের হল খোলার ঘোষণা দিয়েছিল সরকার, সেই সিদ্ধান্তও বাতিল হবে। তবে অবশ্য অনলাইন ভিত্তিক ক্লাস গুলো চলবে।
মঙ্গলবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ কলেজের প্রধান সমন্বয়ক ও অধ্যক্ষদের সভায় ৭ কলেজের সবগুলো পরীক্ষা ২৪ মে পর্যন্ত বন্ধ করা হয়। পরে ওই দিন সন্ধ্যায় তাৎক্ষণিকভাবে শিক্ষার্থীরা নীলক্ষেত মোড় অবরোধ করে আন্দোলন শুরু করেন ।
সেইদিন রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা সেখানে অবস্থান করে পরে ফিরে গিয়েছিলেন তারা। কিন্তু শিক্ষার্থীরা বুধবার সকালে আবার রাস্তায় নামলে যাত্রীদের এই যানবাহনের যানজটের কবলে পড়তে হয় ।
বুধবার সকালে শিক্ষার্থীরা রুটিন অনুযায়ী চলমান পরীক্ষা নেওয়া এবং আবাসিক হল ও ক্যাম্পাস খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে আন্দোলনকারীদের প্রধান আবু বকর বলেন, ” আমাদের হঠাৎ করে চলতি পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়া এটা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আমাদের প্রতি খামখেয়ালি মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বুঝিয়েছে। ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই ধরনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাখ্যান করছে। তাই চলমান পরীক্ষাগুলো রুটিন অনুযায়ীই ঠিক সময়ে নিতে হবে। তা না হলে আমাদের আন্দোলন চলবেই।”
ইডেন কলেজের ছাত্রী মাহমুদা আক্তার বলেন,”আমাদের ফোর্থ ইয়ারের পরীক্ষা প্রায় শেষ পর্যায়ে। এই পর্যায়ে এসে পরীক্ষা স্থগিত করে দেওয়ার কোনো মানে হয় না। ২০১৯ সালে যে পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা ছিল, তা এখনও আটকে আছে। আমরা আমাদের ক্যারিয়ার নিয়ে চরম হতাশা ও অনিশ্চয়তায় আছি। আমরা আর কত সেশনজটে পড়ে থাকব? ”

এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৭ কলেজ শিক্ষার্থীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দুপুরে জরুরি সভায় বসেছে।

সারা আলী খানের জীবন গল্প ও বলিউডে আগমন

0
Sara Ali Khans

সারা আলী খানের জীবন গল্প ও বলিউডে আগমন… Life history of Sara Ali Khan and her entry of Bollywood

আজকের এই ভিডিওতে আমরা বলিউডের নতুন অভিনেত্রী সারা আলী খান সম্পর্কে জানবো। তিনি বলিউডে পা রেখেছেন ২০১৮ সালে আর ২০২০ সাল পর্যন্ত তিনি মাত্র ৪টি সিনেমা করেছেন কিন্তু এখনই তার একটি বিশাল ফ্যান বেজ তৈরি হয়ে গেছে। যাই হোক সারা আলী ১৯৯৫ সালে দিল্লিতে জন্মগ্রহন করেন। সেই হিসেবে তার বর্তমান বয়স হলো ২৫ বছর আর উচ্চতা ৫ ফিট ৪ ইঞ্চি।

সারা আলী খানের বাবা হচ্ছেন এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা সাইফ আলী খান আর তার মা হচ্ছেন এক সময়ের সফল অভিনেত্রী অমৃতা সিং যিনি সাইফ আলী খানের থেকে বয়সে প্রায় ১২ বছর বড় ছিল। তার দাদা হচ্ছেন মনসুর আলী খান পাধৌতি এক সময় ভারত জাতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক এবং তিনি ভিসন মারমুখি ব্যটসম্যান ছিলেন যার ফলে তাকে টাইগার পাধৌতিও বলা হতো। এমনকি ঐ সময় তাকে সর্ব কালের সেরা ফিল্ডারও বলা হতো। আর সারা আলী খানের দাদার বাবা ও ছিলেন ১৯৮৬ সালের ভারত জাতীয় টিমের সফল ক্রিকেট অধিনায়ক। সারা আলী খানের পূর্বপুরুষরা ভারতীয় জমিদার বা নবাব পরিবার ছিল আর তাইতো সাইফ আলী খানকে এখনো সবাই ছোট নবাব বলে। তাহলে বুঝতেই পারছেন অভিনয়ের দিক দিয়ে সাইফ আলী খান অতটা ধনী না হলেও পূর্বপুরুষের অর্থাৎ পৈত্রিক সম্পত্তির দিক দিয়ে সাইফ আলী খান অনেক ধনী। তার সম্পূর্ণ সম্পত্তি প্রায় ১৫০ মিলিয়ন US ডলার বা ১২৭৫ কোটি টাকা। তো বুঝতেই পারছেন সারা আলী খানের বংশ পরিচয় কনো অংশে কম নয়।

 সারা আলী খানের একটি ভাই ও আছে ইব্রাহিম খান, যে দেখতে অবিকল সাইফ আলী খানের মতো। বাবা ছেলের চেহারায় যে এতো মিল থাকে তা ভাবাই যায় না তবে এক্ষেত্রে সাহ্রুখ ও তার ছেলেও পিছিয়ে নেই দুজনেই দেখতে একই রকম। সারা আলী খানের বয়স যখন ৯ বছর ২০০৪ সালে সাইফ আলী খান ও অমৃতা সিঙের ডিভোর্স হয়ে যায়। কোর্টের নির্দেশে ছেলে-মেয়ের দায়িত্ব অমৃতা সিং পান। এর পর প্রায় দুই বছর অমৃতা তার ছেলে-মেয়েদের সাইফ আলী খানকে দেখতে দেয় নি। এরপর ২০০৬ সালে অর্থাৎ ডিভোর্সের ২ বছর পর অমিতাবের কন বানেগা কারোরপাতি অনুষ্ঠানে সারা আলী খান ও সাইফ আলী খানের দেখা হয়। যাই হোক ২০১২ সালে সারা আলী খানের বাবা সাইফ আলী খান বিয়ে করেন বলিউডের একজন সফল অভিনেত্রী কারিনা কাপুরকে। মজার ব্যপার হলো, সাইফ আলী খান আর অমৃতা সিঙের যখন বিয়ে হয়  তখন কারিনা কাপুর ও ঐ বিয়েতে দাওয়াত পান এবং সে উপস্থিত থাকেন। তখন তার বয়স ছিল মাত্র ১১ বছর। তখন কে জানত তিনি এই সাইফ আলী খানকেই এক সময় বিয়ে করবে। কারিনা কাপুর হলো সারা আলী খানের সৎ মা। ডিভোর্সের পর সাইফ আলী খান ও অমৃতা সিং কে এক সাথে দেখা না গেলেও, সাইফ আলী খানের বিয়েতে মেয়ের জন্য  দেখা গিয়েছে। তিনি সারা আলী খানের জন্য ডিজাইনারের  কাছ থেকে ড্রেস তৈরি করান যাতে তার মেয়েকে সব থেকে সুন্দর দেখা যায়। সারা আলী খান ও কারিনা কাপুরের মধ্যে অনেক বন্ধুত্ব সুলভ সম্পর্ক। সারা আলী খান, কারিনা কাপুরকে ছোট মা বলে ডাকেন না, কারিনা বলেই ডাকেন তাছাড়া সারা আলী খান তার সৎ ভাইদেরকেও অনেক ভালো বাসেন। অনেক ফ্যামিলি ফোটোসুটে তাদের একসাথে দেখা যায়।

এবার চলুন সারা আলী খানের কিছু ব্যক্তিগত জীবনের তথ্য সম্পর্কে জানা যাক। সারা আলী খানের প্রথম বয়ফ্রেন্ড ছিল এই ব্যক্তি। তার পর শোনা যায় সারা আলী খানের সম্পর্ক আছে শাহেদ কাপুরের ছোট ভাই ইশান কাত্তারের সাথে। যদিও সেটা ছিল সম্পূর্ণ গুজব। এরপর কেদারনাথ মুভি করার সময় প্রায়াত নায়ক সুসান্ত সিঙের সাথেও সারা আলী খানের একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। কিন্তু মা অমৃতা সিং তাকে সুসান্ত সিঙের সাথে কনো সম্পর্কে জড়াতে নিষেধ করে যার ফলে তাদের সম্পর্ক আর আগে যায় নি। এমনকি একটি বিজ্ঞাপনের জন্য সুসান্ত সিং ও সারা আলী খানের কাছে অফার আসলে সুসান্ত সিং, সারা আলী খানের সাথে অভিনয় করবেন না বলে সরাসরি না করে দেন। তবে এগুলোকেও গুজব বলে ধরা হয়।

এখন ধারণা করা হচ্ছে সারা আলীর সাথে সম্পর্ক আছে বলিউডের কিউট নায়ক কার্তিক আয়নের সাথে। কার্তিক আয়নের সাথে দেখা করতে সারা আলী খান ১২০০ কিলোমিটার পথ পারি দিয়ে তার সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন। আবার সারা আলীকে সাপোর্ট করতে কার্তিক আয়নও তার সিনেমার সুটিং বাদ দিয়ে চলে আসে ফ্যাশনশো তে। তবে অফিশিয়ালি এখনো তারা এই ব্যপারটি স্বীকার করেনি।

সারা  আলী খান এখন পর্যন্ত ৪টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন এবং প্রতিটি সিনেমা করার জন্য সারা আলী খান এভারেজ প্রায় ৩ কোটি রূপি চার্জ করেন। সিনেমা ও বিভিন্ন পন্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে এই পর্যন্ত সারা আলী খান মোট ২ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ প্রায় ১৭ কোটি টাকা আয় করেন। সারা আলী খান তার মা ও ভাইয়ের সাথে মুম্বাইয়ের একটি বহুতল ভবনে বাস করে যার মালিক অমৃতা সিং। সারা আলী খান যে সব গাড়ি ব্যবহার করেন তার মধ্যে রয়েছে হোন্ডা CRV, যার মুল্য প্রায় ৩২ লক্ষ রূপি, জিপ কোম্পাস, ৩০ লক্ষ রূপি। বলিউড সেলিব্রিটি হিসেবে বা  নবাব কন্যা হিসেবে সারা আলী খান খুব কম দামী গাড়ি ব্যবহার করে। তবে তার একটি দামী গাড়িও রয়েছে আর সেটি হলো রেঞ্জ রবার হোক। এই গাড়ি তাকে তার বাবা জন্মদিনে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। আসলে সারা আলী খানের বাবা অনেক ধনী হলেও সারা আলী খান অনেক সাধারন জীবন-যাপন করতে পছন্দ করেন। মিডিয়ায় তাকে একই ড্রেসে অনেক বার দেখা যায়। এই বিষয় যখন সাংবাদিক প্রশ্ন তোলেন তখন সারা আলী খান বলেন “ আমি সাধারন থাকতেই পছন্দ করি”। মাঝে মাঝে তো সে মধ্যবিত্তদের শপিংমলের ভিতরেই চলে যান শপিং করতে।

তো চলুন এবার জেনে নেয়া যাক সারা আলী খান কিভাবে সিনেমায় আসলেন। যেহেতু সারা আলী খানের বাবা-মা দুজনেই ছিলেন বলিউডের প্রথম শ্রেণীর অভিনেতা ও অভিনেত্রী সেহেতু সারা আলী খানও যে সিনেমায় বলিউডে আসবেন এটা নিশ্চিত ছিল। কিন্তু বাবা সাইফ আলী খানের কথা ছিল চলচ্চিত্রে আসতে চাও ভালো কথা কিন্তু প্রথমে পড়াশুনা শেষ করতে হবে। সারা আলী খান তার পড়াশুনা শেষ করে যখন আমেরিকায় গ্রাজুয়েশন কমপ্লিট করতে যান তখন তিনি পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম নামে এক রোগে আক্রান্ত হন। যার ফলে তার ওজন মারাত্মক লেভেলে বাড়তে থাকে। কিন্তু তার স্বপ্ন সে একজন বলিউড অভিনেত্রী হবে। নিজের ট্রিট্মেন্ট করিয়ে তিনি একটি জিমে ভর্তি হন। দেড় বছরের কোঠর পরিশ্রম ও ডায়েটের ফলে তিনি তার অভিনেত্রী হবার মতো বডি ফিরে পান। যখন তিনি এই জিম করেন তখন এই ব্যপারে ফ্যামালির কাউকে জানাননি কারন তিনি সবাইকে সারপ্রাইজ দিতে চেয়েছিলেন। তিনি যখন দেশে ফিরে আসেন তখন এয়ারপোর্টে তার মা তাকে চিন্তেই পারিনি। ভেবে দেখুন নায়িকা হবার জন্য সারা আলী খান কতটা ডিটারমাইন্ড ছিলো।

ইন্ডিয়াতে আসার পরই তার বাবার পরিচিত পরিচালক অভিষেক কাপুরের মাধ্যমে কেদারনাথ মুভিতে সে প্রথম অভিনয় শুরু করে এবং তার বিপরিতে নায়ক ছিল শুশান্ত। সিনেমার মাঝামাঝি সময় সিনেমার প্রডিউসার ও পরিচালকের মধ্যে ঝগড়ার কারণে সিনেমা বন্ধ হয় যায়। এরপর ৩ মাস সিনেমার কাজ বন্ধ থাকার পর রোহিত সেট্টি ও কারান জোহার সিনবা মুভির সুটিং শুরু করতে যাচ্ছিল। তখন রোহিত সেট্টি রনবির সিং এর বিপরীতে সারা আলী খানকে পছন্দ করেন সিনেমার জন্য। এরই মধ্যে কেদারনার মুভির পরিচালক ও প্রডিউসারের মধ্যে ঝগড়া শেষ হবার পর ঐ মুভিরও সুটিং শুরু হয়। কিন্তু এইদিকে সারা আলী খান সিনবা সিনেমার সুটিং নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তাই তার হাতে কেদারনাথ সিনেমা করার মতো সময় ছিল না। তখন কেদারনাথ সিনেমার প্রডিউসার সারা আলী খানের নামে ৫ কোটি রূপি ক্ষতিপুরনের মামলা আদালতে দায়ের করেন। পরে সাইফ আলী খান আদালতের বাইরেই বিষয়টা মিটিয়ে ফেলেন এবং সারা আলী খান তালমিল করে দুটি সিনেমাতেই সুটিং করে।

২০১৮ সালের একেবারে শেষ দিকে ডিসেম্বারের ৭ তারিখে কেদারনাথ সিনেমাটি মুক্তি পায়। এই মুভির কাহিনি ছিল একটি হিন্দু মেয়ে ও মুসলিম ছেলের প্রেমের গল্প নিয়ে যা ভারতের উত্তর খন্ডের জাতীয়পার্টির এক দলের খারাপ লাগে তাই তারা উত্তরখন্ডে এই সিনেমাটি বন্ধ করে দেয়।  তবুও ৬০ কোটি রূপি বাজেটের সিনেমা ৯৭ কোটি রূপি কামিয়ে হিট হয়ে যায়। এই সিনেমাতেই তিনি সবার নজর কাড়েন এবং তার এই প্রথম সিনেমাতেই তিনি আইফা অ্যাওয়ার্ড জয় করেন। তারই ঠিক ২০ দিন পর মুক্তি পায় সিনবা মুভিটি। অর্থাৎ ডিসেম্বারের ২৭ তারিখেই। ৮০ কোটি টাকা বাজেটের এই মুভিটি ৪০০ কোটি টাকা কামিয়ে ব্লক বাস্টার হিট হয়। বিশেষ করে ঐ সিনেমার গান, ও লারকি আখ মারে।

২০১৮ সালে এই দুটি মুভি করেই সারা আলী খান জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তার এই সাফলতার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন বলিউডে তিনি তার বাবার জন্যই আসতে পেরেছেন। তবে টিকে থাকতে হলে তাকেই কিছু করে দেখাতে হবে। স্টার কিড হওয়াতে খুব সহজেই যেমন তিনি বলিউডে প্রবেশ করতে পেরেছে তেমনি নিজের অবস্থান বজায় রাখতে হলে তাকেও প্রমান করতে হবে নিজেকে নতুবা অন্যান্য স্টার কিডদের মতো তিনিও হয়তো হারিয়ে যাবেন বলিউডের এই জমকালো দুনিয়ায়।

জৈবাস্ত্র দ্বারা ধ্বংস করা হবে মানব জাতির অস্তিত্ব, ২০২১

0
জৈবাস্ত্র দ্বারা ধ্বংস করা হবে মানব জাতির অস্তিত্ব, ২০২১ সালকে নিয়ে যে ভয়াবহ ভবিষ্যতবাণী করলেন ফরাসি জ্যোতির্বিদ নস্ট্রাদামুস!

পৃথিবীতে ঘটতে পারে এমন ঘটনার ভবিষ্যতবাণী অনেকেই আমরা করে থাকি। এক সম্য পৃথিবী এমন হবে, সব কিছুর পরিবর্তন হবে এবং তা দেখার জন্য হয়তো আমরা থাকব না। যুগে যুগে এমন অনেক মুনি ঋষি এসেছে যারা তাদের বাণী দ্বারা নিজেদের পৃথিবীর বুকে অমর করে রেখে গেছে। ঠিক এমনি একজন ব্যক্তি হলেন নস্ট্রাদামুস যিনি এমন সব ভবিষ্যৎ বাণী করে গেছেন তার জ্ঞান শক্তি দ্বারা যা তাকে এখনো পৃথিবীর বুকে অমর করে রেখেছে। তিনি ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এবং এই যুদ্ধে উত্থান হওয়া হিটলারের। বলেছিলেন কমিউনিজমের পতন ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের হত্যার কথাও। তিনিও এটাও বলেছিলেন একসময় ইস্রায়েল রাষ্ট্রের গঠন হবে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদন: অবিশ্বাস্য সব ভবিষ্যতবাণী করা জ্যোতির বিজ্ঞানির নাম ছিল   নস্ট্রাদামুস। তিনি ছিলেন একজন ফরাসি জ্যোতিষী। তার করা অবিশ্বাস্য সব ভবিষ্যৎ বাণী আজও বিশ্বের মানুষের মনকে নাড়া দেয়, ভাবিয়ে তোলে তাদের। তিনি সর্বমোট প্রায় ৯৪২টি ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন ১৫৫৫ সালে এবং তার মধ্যে অধিক পরিমান বাণী সত্য প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু তার এই বাণী নিয়ে মতবিরোধও রয়েছে অনেক। একদল দাবি করে তার বলা সব ঘটনাই সত্যি হচ্ছে। আবার অন্য মহলের দাবি এই সব ঘটনা নিছকই কাকতালীয়। তাই আজও তার ভবিষ্যতবাণী বিতর্কিত।

নস্ট্রাদামুস যে সব ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন তার মধ্যে ২০২০ নিয়েও কিছু বাণী তিনি করেছিলেন। তিনি বলেননি কনো করোনার কথা। তিনি বলেছিলেন ২০২০ সালের দিকে সারা বিশ্বে এক মহামারী আসবে যার ফলে প্রাণনাশও হবে অনেক। তার এই ভবিষ্যতবাণী সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছিলো অনেক। বলা চলে লোক চর্চিত ছিল অনেক। তার সব বাণীর মধ্যে ২০২১ সালকে নিয়ে করা ভবিষ্যতবাণী ছিল খুবই ভয়ঙ্কর। রাশিয়ার ক্ষমতার কথা আমরা সবাই জানি। সাথে সাথে এটাও জানি রাশিয়া প্রতিদিন নিত্যনতুন সব অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ রাশিয়ার একজন জৈব বিজ্ঞানী একটি জৈবাস্ত্র তৈরি করবে এবং সেই অস্ত্র এতটাই ভয়ঙ্কার হবে যে, ঐ অস্ত্রের প্রয়োগ করে গোটা বিশ্বের মানব জাতির অস্তিত্বকে ধ্বংস করে ফেলা যাবে।

নস্ট্রাদামুসের এই ভবিস্যতবানিকে মানতে নারাজ বিজ্ঞানিমহল। কারন বিজ্ঞান কারো কথা বিশ্বাস করে না। তারা দাবি করে যে পৃথিবী ধ্বংস হবার আগে ভিন্ন ভিন্ন রকম প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটবে। পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেখা দেবে ভুমিকম্প। আসবে মহামারী ফলে শুরু হবে দুর্ভিক্ষ। কারন প্রাকিতিক বিপর্যয় ও মহামারীর পর পৃথিবীতে দেখা দেবে বিশাল খাদ্যের সংকট, ধারণা করছে বিজ্ঞানী মহল।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রাও বাড়ছে যার ফলে উত্তর মেরুতে জমে থাকা বরফ গলে চলেছে অবিরাম। ফলে সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে চলেছে রোজ। এতে করে কোনো এক সময় অতিরিক্ত জল পানি বাড়ার কারণে সমুদ্র উপকূলীয় যে সব দ্বীপ আছে তা পানির নিচে তলিয়ে যাবে। জনসংখ্যা ও শিল্পায়নের কারণে যে হারে উষ্ণায়ন বাড়ছে এবং বরফ গলছে তাতে এমনটা হলে হতবাগ হবার কিছুই নেই।

বিঃ দ্রঃ পবিত্র কোরআনে উপরে উল্ল্যেখিত সব ঘটনার কথা পূর্ব থেকেই উল্ল্যেখ করা আছে।

ReplyForward

অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত নাসির

0

অবশেষে গ্রেপ্তার হলেন নারী কেলেঙ্কারিতে জড়িত নাসির…

ক্রিকেটার নাসির হোসেন যখন তার বিয়ে, প্রেম নিয়ে সারা দেশের মানুষের মধ্যে ফেলেছে হৈ চৈ তখন ভক্তরা আর কেন পিছিয়ে থাকবে। নাসির ও তামিমার বিয়েকে নিয়ে যখন সারা দেশে চলছে বিতর্ক তখন সব বিতর্কের মধ্যে উকি দিয়ে বেরিয়ে এলো নারী কেলেঙ্কারিতে আরেক নাসিরের গল্প। গণভবন এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে নাসির উদ্দিন বুলবুল নামক একজন প্রতারককে। এক মেয়ের বাবার সাথে এসএসএফ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দেয়া এই নাসির  উদ্দিনকে ২১ ফেব্রুয়ারি রোববার সকালে প্রতারণার দায়ে গ্রেপ্তাতার করা হয়। এটিই প্রথম নয়, এর আগেও অন্য মেয়েদের সাথে প্রতারণার দায়ে শেরেবাংলা নগর থানায় তার বিরুদ্ধে মামলাও দায়ের করা হয়েছিলো।

মেয়েদের ফাঁদে ফেলে টাকা আত্মসাৎ করাই ছিল নাসির উদ্দিনের কাজ তাই টার্গেট করতো ধনী পরিবারের মেয়েদেরকে। বারবার পরিচয় পরিবর্তন করতো নাসির কখনও এসএসএফ’র সহকারী পরিচালক, সফল ব্যবসায়ী, বড় কোম্পানির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা আবার বাহিনীর কোন বড় অফিসার। এমন পরিচয়েই পরিচিত হতো নাসির উদ্দিন মেয়েদের বাবাদের সঙ্গে। ঠিক এমনি ভাবেই ভুল পরিচয়ে পরিচিত হতে গিয়ে এক মেয়ের বাবার কাছে ধরা পরে যায় নাসির উদ্দিন। পরবর্তীতে তাকে ও তার সহযোগী মনির হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

নিজেকে ধনী ও তার বিলাশবহুল জীবনের পরিচয় দিতে একেক দিন একেক রকম পোশাক পড়তো নাসির এবং ভিন্ন ভিন্ন ঘড়ি ও জুতা ও ব্যবহার করতো। এমন পশাক-আশাক ব্যবহারের একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল উচ্চবিত্ত পরিবারের মেয়েদের ফাঁদে ফেলে তাদের সাথে প্রতারনা করা। ২১ শে ফেব্রুয়ারির একটি সংবাদ সম্মেলনে বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ তার নিজ কার্যালয়ে বসে এই কথা বলেন।

মঙ্গলে প্রথম মহাকাশচারী First Astronaut On The Mars

0

আপনাকে যদি পৃথিবী থেকে ৯৮ কোটি কিলোমিটার দূরে রেখে আশা হয় কোনো স্পেস শিপ এ করে তাহলে কেমন হবে ? শুনতে অবাক লাগলেও এটা সত্য যে ২০৩৩ সালে প্রথম মানুষ হিসেবে একটি মেয়ে যাবে মঙ্গল গ্রহে , মেয়েটিকে কোনো পাঠানো হবে এবং মেয়েটির বিষয়ে অজানা তথ্য জানব এই ভিডিওতে। তো চলুন শুরু করা যাক :

মেয়েটির নাম আলিসা কারসন, ৭ বছর বয়সে তার বাবা তাকে নিয়ে গিয়েছিলো আলাবামার একটি স্পেস ক্যাম্প এ , সেই ক্যাম্প এর অভিজ্ঞতা তাকে এমনভাবে নাড়িয়ে দিয়েছিলো যে তার ভাবনার জগৎ অন্নান্য শিশুদের চাইতে আলাদা হয়ে যায়। আলিসার বয়স যখন ৯ বছর তখন তার সাথে দেখা হয় নাসার একজন মহিলা গবেষণাকারীর , নাম ছিল তার সান্দ্রা ম্যাগনাস । এই মহাকাশচারী তাকে জানিয়েছিল যে তিনি ছোট থেকে মহাকাশে যেতে স্বপ্ন দেখতেন, এই কথা তাকে মহাকাশের বেপারে তাকে আরো আগ্রহী করে তোলে , ১২ বছর বয়সী আলিসা সবচেয়ে কম বয়সী মহাকাশচারী হিসেবে নাসার ৩টি স্পেস ক্যাম্প এ অংশ নেয় , সেখানে নভোচারী হিসেবে সকল ট্রেনিং সম্পন্ন করেন। তিনি অর্জন করেন বিশেষ মুহূর্তে জরুরি সিদ্ধান্ত নেবার দক্ষতা , রোবটিক বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের পাশা পাশি তিনি নিজেও একটি রকেট বানিয়েছেন। যেহেতু তিনি মঙ্গল গ্রহে গেলে ফিরে আসার সম্ভাবনা খুব কম তাই সেভাবেই নিজেকে গড়ে তুলছেন। প্রথমে একটি কুকুরকে স্পেস শিপ এর মাধ্যমে মহাকাশে পাঠানো হয় , তখন বিজ্ঞানীরা জানতো না কিভাবে কুকুরকে তারা ফিরিয়ে আনবে , ১৯৯৭ সালের নভেম্বর মাসে লাইকা নাম একটি কুকুরকে পাঠানো হয় , তাই হয়তো লাইকার মতো হারিয়ে যেতে পারে আলিসা , তাকে একবার মঙ্গল গ্রহে পাঠানো হলে তাকে আবার কিভাবে পৃথিবীতে আনা হবে তার বাস্তব আইডিয়া নাসা র কাছে নেই , ২০৩৩ সালে প্রথম মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর অভিযান শুরু হবে তখন আলিসার বয়স হবে ৩২ বছর যা একজন নভোচারীর জন্য উপযুক্ত বয়স। আলিসা নিজেও জানেন তিনি হয়তো আর পৃথিবীতে ফিরে আসবেন না। ভাবতে অবাক লাগে মানুষের স্বপ্ন কত বড় হতে পারে।

বাঙালি সেনাদের আরেকটি গৌরভ গাঁথা, নাফ যুদ্ধ, বাংলাদেশ বনাম মিয়ানমার, কি হয়েছিলো সে দিন?

0

প্রায়ই আমরা এই ধরনের খবর শুনতে পাই যে, মিয়ানমার বাংলাদেশের কক্সবাজার কিংবা বান্দরবন সীমান্তে সেনা প্রস্তুত করে রেখেছে। আবার কখনও কখনও সেন্টমার্টিন দ্বীপকে নিজেদের এলাকা বলে দাবী করে ভিন্ন ভিন্ন পোস্ট দেয় মিয়ানমারের ওয়েবসাইটে বা ফেসবুকে। তখন বিভিন্ন গণমাধ্যম এবং ইউটিউব চ্যানেলে গবেষণা শুরু হয়ে যায়, বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে যুদ্ধ লাগলে কারা জিতবে, কার সামরিক সক্ষমতা কেমন, কার ভাণ্ডারে কি কি অস্ত্রে পরিপূর্ণ আর কি পরিমান গোলাবারুদ আছে- এসব নিয়ে। কিন্ত অনেকেই আমরা জানি না বা ভুলে যাই যে, যুদ্ধ আসলে শুধু অস্ত্র বা গোলাবারুদ দিয়ে জেতা যায় না, যুদ্ধ জিততে লাগে মনোবল, থাকতে চৌকশ মস্তিস্কের জোর ও অদম্য সাহস। দেশপ্রেম, সাহস আর তুখোড় বুদ্ধির প্রমাণ বাংলাদেশের সেনাবাহিনী এবং সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি এর আগেও দিয়েছে, ২০০০ সালে বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের মধ্যে হওয়া নাফ যুদ্ধ যার চরম নিদর্শন। সেই যুদ্ধে ছয়শো সেনার লাশ ফেলে পালিয়ে গিয়েছিল মিয়ানমারের ভীতু কাপুরুষ সেনাবাহিনী, অন্যদিকে বাংলাদেশকে হারাতে হয়নি একটি প্রাণও। প্রিয় দর্শক, আজ সেই নাফ যুদ্ধের সত্যি গল্পই আপনাদের শোনাব। বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি সদস্যদের অসীম বীরত্বগাঁথা রচিত হয়েছিল যে যুদ্ধে।

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার যখনই কোনো অস্থিরতার কথা হয় তখন আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে উঠে আসে নাফ যুদ্ধের কথা। ২০০০ সালের ৮ জানুয়ারি এই যুদ্ধ শুরু হয়েছিল। ৩ দিনের এই সামরিক সংঘাতে নজির বিহীনভাবে বাংলাদেশ সিমান্তরক্ষী বাহিনী ও রাইফেলসের ২৫০০ সৈন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিল মিয়ানমারের সেনা ও নৌবাহিনীর দুই ডিভিসন সৈন্য দলের সামনে যার সংখ্যা ছিল বাংলাদেশের সৈন্য সংখ্যার প্রায় ১০ গুন অর্থাৎ ২৫০০০। আগেই বলে রাখা ভালো, এখানে কিন্তু বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অংশ নেয় নি। সেনা বাহিনী আসার আগেই বিডিআর এর উচ্চ প্রতাপের মুখে বিড়ালের মতো লেজ গুটিয়ে পালায় মিয়ানমার বাহিনী। আজ থেকে প্রায় ২০ বছর আগে নাফ নদীর বেশ লম্বা একটা পটভূমি ছিল। ১৯৬৬ সালে সীমান্ত নিস্পত্তি করনের সময় তৎকালীন পাকিস্তান ও বার্মা সরকার একটি চুক্তিতে উপনীত হয়। এই চুক্তির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নাফ নদী খাতের মাঝের অংশকে দুই দেশের সীমান্ত হিসেবে নির্ধারণ করা হয়। এই নির্ধারণে মিয়ানমারের নাফ নদীতে ১২টি প্রশাখা আছে। চুক্তি অনুযায়ী মিয়ানমার সরকার এই প্রশাখায় এমন কোন পদক্ষেপ নিতে পারতো না যাতে নদীর গতিপথ বা মোহনায় কোন বাধার সৃষ্টি করে। কারন সব কিছুর ঊর্ধ্বে নাফ নদীর খাতের মধ্যস্থানকে আন্তর্জাতিক ভাবে দুই দেশের সীমানা বলে নির্ধারণ করা হয়েছিল। মিয়ানমার সরকার এই চুক্তি অগ্রাজ্য করে ১২ টির মধ্যে ১১ টিতেইবাধ নির্মাণ করে যার ফলে নাফ নদীর মোহনা পরিবর্তন হয়ে বাংলাদেশের দিকে সরে আসে এতে করে বাংলাদেশ প্রায় আড়াই হাজার একর ভূখণ্ড হারিয়ে ফেলে। ২০০০ সালে শেষ শাখাতেও মিয়ানমার বাধ দিতে চাইলে দু-দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পাতানো বাদের সুত্রপাত হয়। কয়েক দফা দুই দেশের মধ্যে অকথ্য ভাষায় চিঠি চালাচালিও হয়। মিয়ানমার পরিকল্পিত এই বাধ যদি নির্মাণ হয়ে যায় তাহলে নাফ নদীর যে অংশে বাংলাদেশ আছে সেই অংশে ভাঙ্গনের সৃষ্টি হতো। আর সেই ভাঙ্গন বিলীন করে দিত টেকনাফ শহরের অস্তিত্ব। ১৯৯৯ সালে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা হয় কিন্তু যখন আলোচনার সব রাস্তা বন্ধ হয়ে যায় তখন জোড় প্রয়োগের মাধ্যমে এই বাধ নির্মাণ পরিকল্পনা ভেস্তে দেয়া ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না। মিয়ানমারের সেনারা আঘাত হানার জন্য প্রস্তুত হয়। এদিকে গোপন সুত্রে এই হামলার খবর পেয়ে যায় বিডিয়ার বাহিনীও। তারাও নিতে থাকে যুদ্ধের নানান সব প্রস্তুতি। তৎকালীন সময়ে বিডিয়ারের মহাপরিচালক ছিলেন মেজর জেনারেল (অবঃ) আ ল ম ফজলুর রাহমান। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। কাজেই সাহস ছিল বুক ভর্তি। মিয়ানমারের পক্ষ থেকে যখন অপমান জনক ভাষায় চিঠি এসেছিলো বিডিয়ারের কাছে, তিনিও তখন সৌজন্যতার ধার না ধরে কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছিলেন। কারন তিনি জানতেন অসভ্যদের সাথে খেলতে হলে তাদের মতোই হতে হয়। মিয়ানমারের থেকে সামরিক সেনায় পিছিয়ে থাকলেও ফজলুর রহমান জানতেন সঠিক বুদ্ধি ও কৌশল প্রয়োগ করলে ওদের সাথে লড়াই কড়া খুব একটা কঠিন হবে না। নিজের সিদ্ধান্তে অটল থেকে এক রাতেই মর্টারের গোলা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রকমের প্রায় ২৫ লাখ গোলা বারুদ তিনি কক্সবাজারে পাঠিয়ে দেন। এর মধ্যে অর্ধেক তিনি কক্সবাজারে রাখার নির্দেশ দেন এবং বাকি অর্ধেক সীমান্তে পাঠানোর আদেশ দেন। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সীমান্তে মোতায়ন করেন। মিয়ানমারের সাথে সেই অনাকাঙ্ক্ষিত যুদ্ধ শুরু হয়েছিলো ২০০০ সালের জানুয়ারি মাসের ৮ তারিখ দুপুর আড়াইটায়। জেনারেল ফজলুর রাহমানের নেত্রিত্বে শুরু হওয়া ঐ নাফ যুদ্ধে সেদিন নিয়মিত সিমান্ত পরিদর্শকের অংশ হিসেবে দিনাজপুরে অবস্থান করছিলেন জেনারেল ফজলুর রহমান। যুদ্ধ শুরু করার জন্য তিনি একটি কোড ওয়ার্ড নির্বাচন করেন। সেখান থেকে তিনি ঐ কোড ওয়ার্ডের মাধ্যমে যুদ্ধ শুরু করার জন্য সীমান্তে মোতায়নরত সৈন্যদের আদেশ দেন। কোড ওয়ার্ডটি ছিল অতি সরল একটি ওয়ার্ড আর সেটা ছিলো বিসমিল্লাহ। যুদ্ধ শুরু হয়েছিলো টেকনাফের ওয়াই কং ইউনিয়ন সংলগ্ন ইউনিয়নে। এখানে নাফ নদীর একটি বাকের সামনে প্রথম গুলি ছোরা শুরু করে বিডিয়ার। এটি ছিল একটি আক্রমনত্তক এংগেজমেন্ট। দেশি-বিদেশি সকল চ্যানেল খুবই গুরুত্বের সাথে এই নিউজটি প্রকাশ করে। যুদ্ধ শুরুর কিছুক্ষনের মধ্যেই জয় পরাজয়ের সিদ্ধান্ত স্পষ্ট হতে থাকলো। বাংলাদেশকে একটা বড়সড় ধাক্কা দিতে রেঙ্গুনে বসে মিয়ানমারের সেনারা যে ছক আঁকছিল তা সীমান্তে এসেই পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল। মিয়ানমারে থাকা বাংলাদেশী গোয়েন্দারা সৈন্যদের নানা রকম ক্ষয়ক্ষতির খবর নিয়ে আসে। বাঁধ নির্মাণের শ্রমিক সহ মিয়ানমারের প্রায় ৬০০ সৈন্য নিহত হয় এই আক্রমনে। মিয়ানমারের এই ক্ষয়ক্ষতির পিছনে ছিল জেনারেল ফজলুর রহমানের এক অভিনব প্রক্রিয়া। তিনি এলিমেন্ট অফ সারপ্রাইজ বা ঝুঁকিপূর্ণ এক মাইন্ডগেম খেলছিলেন। ইচ্ছা করেই দুপুরকে আক্রমণের সময় হিসেবে নির্ধারণ করেন। সাধারনত আক্রমণের জন্য সকাল অথবা রাতকে নির্ধারণ করা হয়। দুপুর বেলা আক্রমণ কিছুটা নজিরবিহীন। কারন দুপুরটা এমন একটা সময় যখন শারীরিক ভাবে মানুষের শরীরে একটু শৈথিল্যতা চলে আসে, আলস্য এসে উপস্থিত হয় আর শীতের দুপুরে এই আলস্যতা যেন আরও বেশী জেঁকে বসে। এই পরিকল্পনা সফল হয়েছিল। নিয়মিত রুটিনের বাইরের এই আক্রমনে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিলো মিয়ানমারের সৈন্যরা। অথচ মিয়ানমারের মোট সৈন্য সংখ্যা ছিল প্রায় ২৫০০০ হাজার আর বাংলাদেশের সৈন্য সংখ্যা ছিল মাত্র আড়াই হাজার। অর্থাৎ জেনারেল ফজলুর রহমানকে লড়তে হয়েছিলো প্রায় ১০ গুন বেশী সৈন্য বাহিনীর সাথে। তাছাড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনী তখনও অংশগ্রহণ করেনি যুদ্ধে। বিডিয়ার বাহিনী একাই লড়েছে। ঘন্টা খানিক যুদ্ধ চলার পরই রেঙ্গুনে থাকা কর্তা বাহিনীর টনক নড়ে। জেনারেল থাং সয়ে তড়িঘড়ি করে রেঙ্গুনে নিযুক্ত বিদেশী চ্যানেল রিপোর্টারদের ও কূটনৈতিকদের ডেকে ঘোষণা করে যে বাংলাদেশের সাথে যুদ্ধের লিপ্ত হবার কোন পরিকল্পনা আমাদের নেই। ভুল বোঝাবুঝি থেকে তৈরি হওয়া সংঘাতের কারণে বাংলাদেশের সাথে নিঃস্বার্থ আলোচনায় বসার প্রস্তাব দেয়। যুদ্ধের এক তরফা প্রত্যাহারের কারণে ১০ জানুয়ারি যুদ্ধ স্থিমিত করা হয় এবং আলোচনার জন্য বাংলাদেশ থেকে এক দল উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা মংডুতে উপস্থিত হয়। নাফ যুদ্ধের যে বিরল কৃতিত্ব বিডিয়ার অরজন করে তা হলো শূন্য মৃত্যু হার। ৩ দিনের এই যুদ্ধে মিয়ানমার প্রায় ৬০০ সৈন্যকে হারিয়েছে, সেখানে বাংলাদেশে ছিল শূন্য মৃত্যু হার। গুলিবিদ্ধ হয়েছে অনেকেই কিন্তু কারো মৃত্যু হয় নি। বীরত্বের সূচক হিসেবে তৎকালীন সরকার যুদ্ধের অংশ নেয়া সকল সেনাকে অপারেশন নাফ নামে একটি করে তাম্র পদক প্রদান করে। দেশে প্রথমবার বিডিয়ার সেনাবাহিনীর কোন প্রকার সাহায্য ছাড়াই যুদ্ধের জয় লাভ করে।

মিয়ানমার চীনের বন্ধু হতে পারে। তাদের ভাণ্ডারে আধুনিক অস্ত্র থাকতে পারে। মিয়ানমারের সেনারা চীনের সাথে যৌথ মহড়া করার কারণে অনেক শক্তিশালীও হতে পারে। কিন্তু সম্মুখ যুদ্ধে বাংলাদেশী সেনারা সাহসের সাথে যেভাবে বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় তেমনটা মিয়ানমার সেনারা পারে না। আমাদের সার্বভৌমত্তে কেউ আঘাত হানলে ২০ বছর পূর্বে যেমন জবাব দেয়া হয়েছিলো তেমনি মুখভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। নাফ যুদ্ধের তো ৬০০ লাশ গুন্তে হয়েছিলো মিয়ানমারকে। ভবিষ্যতে ঝামেলা করলে আরও বেশী লাশ গুন্তে হবে। এই দেশ রক্তের বিনিময়ে কেনা, সম্ভ্রমের দামে কেনা তাই এই দেশের দিকে কেউ হাত বাড়ালে সেই হাত ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিতে আমরা কার্পণ্য করব না। অনুলিপিটি বিন্দুমাত্রও ভালো লাগলেও শেয়ার করে ছড়িয়ে দিতে অনুরোধ করছি।

Recent News

বিস্ফোরণের মুখে তাজমহল, সরিয়ে নেয়া হয়েছে এলাকার জনসাধারণকে

0
অন্যান্য সব দিনের মতো চৌঠা মার্চ বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই লোকে লোকারণ্য ছিলো আগ্রার তাজমহল। হঠাৎ সোরগোল শুরু হয়ে যায় জন সাধারনের মধ্যে। বোমা আতঙ্কে...

Popular News

মোবাইলে লাইভ টিভি অ্যাপস জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সম্প্রতি

0
দিন দিন জীবনযাত্রার মান যত সহজ হয়ে উঠেছে, ততই সবাই চায় সবকিছু খুব সহজে পেতে। হাতের স্মার্টফোনটি আমাদের জীবনের অনেকগুলো যন্ত্রের প্রয়োজনীয়তা কমিয়ে দিয়েছে।...

সব পুরুষের স্বপ্ন “মালিনা”