বাংলাদেশের সিনেমায় এরকম লুক এর আগে কখনো দেখা যায়নি

0
39

বাংলাদেশের সিনেমায় এরকম লুক এর আগে কখনো দেখা যায়নি, সাধারণত হলিউড-বলিউড তারকাদের একটি বিশেষ চরিত্রের জন্য মাসের পর মাস কাজ করতে দেখা যায়। তারা এই সময়ের বেশিরভাগ সময় তাদের শরীরের আকৃতি পরিবর্তনে ব্যয় করে। দর্শকরা আরিফিন শুভকেমিশন এক্সট্রিম‘ সিনেমায় ভিন্ন রূপে দেখতে পাবেন। এই ছবির জন্য টানা ৯ মাস ধরে, শুভ ধীরে ধীরে তার শরীরের আকৃতি পরিবর্তন করেছে। ছবিতে তার চেহারা দেখা যাক।

২০১৮ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে ‘মিশন এক্সট্রিম’ ছবির প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করে সিদ্ধান্ত নেন, দেহগড়ন ভেঙে নতুন আকারে নিজেকে তৈরি করবেন। শুরু হলো জিমে দীর্ঘ প্রশিক্ষণ।
২০১৮ সালের নভেম্বরের শেষ দিকে ‘মিশন এক্সট্রিম’ ছবির প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করে সিদ্ধান্ত নেন, দেহগড়ন ভেঙে নতুন আকারে নিজেকে তৈরি করবেন। শুরু হলো জিমে দীর্ঘ প্রশিক্ষণ।

২০১৬ সালের নভেম্বরের শেষের দিকে, ‘মিশন এক্সট্রিম‘ ছবির প্রাথমিক প্রস্তুতি শেষ করার পর, তিনি তার শরীরের আকৃতি ভেঙে নিজেকে নতুন আকারে তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন। জিমে দীর্ঘ প্রশিক্ষণ শুরু হল।

বাংলাদেশের সিনেমায় এরকম লুক এর আগে কখনো দেখা যায়নি
বাংলাদেশের সিনেমায় এরকম লুক এর আগে কখনো দেখা যায়নি

এই শারীরিক পরিবর্তন আনতে ৯ মাস লেগেছে। এ সময় তিনি অন্য সিনেমায় অংশ নেননি। ৯ মাসের এই রূপান্তর যাত্রায় শুভর তার পায়ের টিস্যু ছিঁড়ে ফেলেছে। এখনও মাঝে মাঝে পায়ের এই সমস্যায় ভোগেন।

শরীরের এমন পরিবর্তনের জন্য রাত ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে হতো। উঠতে হতো ভোর ৫টায়। চলত প্রস্তুতি। সামান্য বিরতি দিয়ে টানা ব্যায়াম করতে হতো। জিমেই খেতে হতো। আর ধাপে ধাপে করতে হতো কার্ডিও আর ওয়েট ট্রেনিং। প্রচণ্ড ভোজনরসিক শুভর খাবারের তালিকায় থাকত মাছ, সবজি, ডিমের সাদা অংশ, বাদাম, পিনাট বাটার।
শরীরের এমন পরিবর্তনের জন্য রাত ১০টার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে হতো। উঠতে হতো ভোর ৫টায়। চলত প্রস্তুতি। সামান্য বিরতি দিয়ে টানা ব্যায়াম করতে হতো। জিমেই খেতে হতো। আর ধাপে ধাপে করতে হতো কার্ডিও আর ওয়েট ট্রেনিং। প্রচণ্ড ভোজনরসিক শুভর খাবারের তালিকায় থাকত মাছ, সবজি, ডিমের সাদা অংশ, বাদাম, পিনাট বাটার।

শরীরের এই ধরনের পরিবর্তনের জন্য, একজনকে রাত দশটার মধ্যে ঘুমিয়ে পড়তে হয়েছিল। আমাকে ভোর ৫ টায় উঠতে হয়েছিল। চলছে প্রস্তুতি। আমাকে একটু বিরতি দিয়ে স্ট্রেচিং ব্যায়াম করতে হয়েছে। আমাকে জিমে খেতে হয়েছিল। এবং ধাপে ধাপে কার্ডিও এবং ওজন প্রশিক্ষণ করতে হয়েছে। মাছ, সবজি, ডিমের সাদা অংশ, বাদাম, চিনাবাদাম মাখন ছিল সুস্বাদু খাবারের তালিকায়।

সেই সময়গুলো কেমন কেটেছে জানতে চাইলে শুভ বলেন, ‘ট্রেনিংয়ের সময়টায় অসামাজিক হয়ে গিয়েছিলাম। বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে ওই সময় আমাকে কেউ পেত না।’
সেই সময়গুলো কেমন কেটেছে জানতে চাইলে শুভ বলেন, ‘ট্রেনিংয়ের সময়টায় অসামাজিক হয়ে গিয়েছিলাম। বন্ধুদের আড্ডায় কিংবা কোনো অনুষ্ঠানে ওই সময় আমাকে কেউ পেত না।’

সেই সময়গুলো কেমন কাটল জানতে চাইলে শুভ বলেন, “প্রশিক্ষণের সময় আমি অসামাজিক হয়ে গেলাম। বন্ধুদের আড্ডায় বা কোনো অনুষ্ঠানে কেউ আমাকে খুঁজে পায়নি। ‘

ট্রেনিংয়ের মাঝপথে শারীরিক ভাঙচুরে কখনো কখনো মনে হয়েছে আর পারবেন না। তখন এই ভেবে নিজেকে শক্তি জুগিয়েছেন, ‘অন্য দেশের অভিনেতারা পারলে আমি কেন পারব না?’
ট্রেনিংয়ের মাঝপথে শারীরিক ভাঙচুরে কখনো কখনো মনে হয়েছে আর পারবেন না। তখন এই ভেবে নিজেকে শক্তি জুগিয়েছেন, ‘অন্য দেশের অভিনেতারা পারলে আমি কেন পারব না?’

প্রশিক্ষণের মাঝখানে শারীরিক ভাঙচুর কখনও কখনও মনে হয় যে এটি আর সম্ভব নয়। তারপর তিনি এই ভেবে নিজেকে ক্ষমতায়িত করলেন, “যদি অন্য দেশের অভিনেতারা পারে, আমি কেন পারব না?”

শারীরিক এই পরিবর্তন আপনাকে কী শিখিয়েছে? ‘মন থেকে চাইলে কোনো পথই কঠিন নয়। আমার মনোবল আরও শক্তিশালী হয়েছে,’ বলেন শুভ।
শারীরিক এই পরিবর্তন আপনাকে কী শিখিয়েছে? ‘মন থেকে চাইলে কোনো পথই কঠিন নয়। আমার মনোবল আরও শক্তিশালী হয়েছে,’ বলেন শুভ।

এই শারীরিক পরিবর্তন আপনাকে কী শিখিয়েছে? ‘হৃদয় থেকে, কোন পথ কঠিন নয়। আমার মনোবল দৃড় হয়েছে, ‘বললেন শুভ।

নিজের এই শারীরিক রূপান্তর নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন আরিফিন শুভ। গত বছর সেটি প্রকাশ পেয়েছে।
নিজের এই শারীরিক রূপান্তর নিয়ে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন আরিফিন শুভ। গত বছর সেটি প্রকাশ পেয়েছে।

আরিফিন শুভ তার শারীরিক রূপান্তর নিয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছেন। এটি গত বছর মুক্তি পায়।

তথ্যচিত্রটি ইউটিউবে প্রকাশ করার পর সমালোচনার মুখে পড়েন শুভ। শুনতে হয়েছে, একটি বাংলা সিনেমার জন্য ৯ মাস শরীরের পেছনে ব্যয় করা একধরনের বাড়াবাড়ি। তাঁদের উদ্দেশে শুভ বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের দেশে ঠিকঠাক ১৮টি সিনেমা হল পাওয়া যাবে কি না, সন্দেহ আছে। সেই ইন্ডাস্ট্রিতে একটি ছবির জন্য ৯ মাস ধরে নিজেকে তৈরি করেছি, সেটা পাগলামো ছাড়া আর কিছুই না। অনেকেই হয়তো এই পাগলামো করবে না। কারণ, হলিউড-বলিউডের মতো আমাদের ব্যবসা নেই।’
তথ্যচিত্রটি ইউটিউবে প্রকাশ করার পর সমালোচনার মুখে পড়েন শুভ। শুনতে হয়েছে, একটি বাংলা সিনেমার জন্য ৯ মাস শরীরের পেছনে ব্যয় করা একধরনের বাড়াবাড়ি। তাঁদের উদ্দেশে শুভ বলেন, ‘১৮ কোটি মানুষের দেশে ঠিকঠাক ১৮টি সিনেমা হল পাওয়া যাবে কি না, সন্দেহ আছে। সেই ইন্ডাস্ট্রিতে একটি ছবির জন্য ৯ মাস ধরে নিজেকে তৈরি করেছি, সেটা পাগলামো ছাড়া আর কিছুই না। অনেকেই হয়তো এই পাগলামো করবে না। কারণ, হলিউড-বলিউডের মতো আমাদের ব্যবসা নেই।’

ডকুমেন্টারি ইউটিউবে প্রকাশিত হওয়ার পর শুভ সমালোচিত হন। আমি শুনেছি যে একটি বাংলা সিনেমার জন্য শরীরের পিছনে ৯ মাস ব্যয় করা এক ধরনের বাড়াবাড়ি। তাদের উদ্দেশে শুভ বলেন, “১৬ কোটি মানুষের দেশে ১ টি সিনেমা হল থাকবে কিনা সন্দেহ আছে।” আমি সেই ইন্ডাস্ট্রিতে একটি ছবির জন্য ৯ মাস ধরে নিজেকে তৈরি করছি, এটা পাগলামি ছাড়া আর কিছুই নয়।অনেকেই হয়তো এই পাগলামি করবেন না। কারণ হলিউড-বলিউডের মতো আমাদের ব্যবসা নেই। ‘

শুভ এই খাটুনি নিয়ে মনে করেন, ‘আমি খুব ট্যালেন্টেড অভিনয়শিল্পী নই। আমার ট্যালেন্ট অভিনয়ে নয়, পরিশ্রমে। আমি খাটতে জানি।’
শুভ এই খাটুনি নিয়ে মনে করেন, ‘আমি খুব ট্যালেন্টেড অভিনয়শিল্পী নই। আমার ট্যালেন্ট অভিনয়ে নয়, পরিশ্রমে। আমি খাটতে জানি।’

এই পরিশ্রমের কথা শুভ মনে করেন, ‘আমি খুব প্রতিভাবান অভিনেতা নই। আমার প্রতিভা অভিনয়ে নয়, কঠোর পরিশ্রমের মধ্যে। আমি জানি কিভাবে কাজ করতে হয়। ‘

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ‘মিশন এক্সট্রিম’। আগামী ডিসেম্বরে ছবিটি মুক্তি পাবে।
পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করা হয়েছে ‘মিশন এক্সট্রিম’। আগামী ডিসেম্বরে ছবিটি মুক্তি পাবে।

পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অপারেশন দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ‘মিশন এক্সট্রিম’ তৈরি করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরে ছবিটি মুক্তি পাবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here