ইথিক্যাল হ্যাকিং হতে পারে ক্যারিয়ারের নতুন মোড়

0
90

হ্যাকিং বিষয়টা নিয়ে সবার মধ্যেই একটি অন্যরকম উত্তেজনা কাজ করে। হ্যাক করে কিভাবে? এটা জানার প্রছন্ড আগ্রহ। বন্ধুবান্ধবের আইডি হ্যাক করা গেলে কতই না মজা হত। কিংবা নিজের প্রিয়জনের আইডি হ্যাক করে যদি দেখা যেত সে কার কার সাথে কি কি কথা বলছে।

অনলাইনে অনেক ভিডিওতে হ্যাকিং বিষয়টিকে অনেক সহজ কিংবা অ্যাপভিত্তিক হিসেবে প্রেজেন্ট করলেও আদতে বিষয়টি এত সহজ নয়। হ্যাকিং ব্যাপারটির বিশালতা অনেক বেশী।

কয়েক ধরনের হ্যাকিং হচ্ছে এরকম,

  • সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বা ফিশিং
  • স্পাইওয়ার বা কিলগার
  • পাসওয়ার্ড ক্র্যাকিং

এছাড়াও আরও অনেক ধরনের এটাক রয়েছে, যা দিয়ে ভিক্টিমের সোশ্যাল বা ওয়েব একাউন্ট, ওয়েবসাইট, সার্ভার কিংবা ডিভাইসের এক্সেস নেয়া যায়।

হ্যাকারের অনেক ধরন রয়েছে। যেমন, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকার, হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি। ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারকেই মূলত হ্যাকার বলা হয়। এরাই অন্যের ক্ষতি করে, একাউন্ট হ্যাক করে অর্থ আত্নসাত কিংবা ব্ল্যাকমেইল করে থাকে।

আর হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার বা ইথিক্যাল হ্যাকার হচ্ছে যারা, তারা হ্যাকিং এর কলাকৌশল খুব ভালোভাবে রপ্ত করলেও তা কোন মন্দ কাজে ব্যাবহার না করে বরং মানুষ এর উপকার করে। কারো কোন সিকিউরিটির দুর্বলতা থাকলে তাকে সতর্ক করে যেন সে হ্যাক এর স্বীকার না হয়ে যায়। আর এই কাজটি করে অনেক বেশী পুরস্কৃতও হয়ে থাকে।

ভালো উদ্যেশ্য নিয়ে হ্যাকিং শিখে কি কি করা যায়?

  • সাইবার সিকিউরিটি কনসাল্টেন্ট হিসেবে কোন কোম্পানি বা সংস্থায় চাকরি করে তাঁর সিকিউরিটির বিষয়গুলো দেখাশোনা করতে পারে
  • অনলাইনে বিভিন্ন পরিচিত ওয়েবসাইট বা এপ্লিকেশনের বাগ (কোডিং তরুটি যা সিকিউরিটি দুর্বলতা হিসেবে বিবেচিত হয়) খুঁজে বের করে তাদেরকে অবগত করে পুরষ্কার পেতে পারে
  • নিজের এবং পরিবারের সদস্যদের অনলাইনে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে

বেসিক লেভেলের ইথিক্যাল হ্যাকিং শেখার জন্য খুব বেশী টেকনিক্যাল নলেজ প্রয়োজন হয়না। প্রাইমারি বিষয়গুলো জানলেই ছোটখাট হ্যাকারের আক্রমন থেকে নিজেকে নিরাপদ রাখা যায়। এক্সপার্ট হ্যাকার হতে হলে প্রোগ্রামিং এবং নেটওয়ার্কিং এ দক্ষতা বাড়াতে হবে। অনেক বেশী রিসার্চ করে বিষয়গুলোর খুটিনাটি শিখতে হবে

কিভাবে শিখবেন? Pentanik IT ইউটিউব চ্যানেলে ইথিক্যাল হ্যাকিং কোর্স সম্পূর্ণ ফ্রী দেয়া হয়েছে। ইউটিউব চ্যানেল থেকে প্লেলিস্টে গেলেই ভিডিওগুলো পর্ব আকারে দেয়া আছে। কোর্স কমপ্লিট করে এসাইনমেন্ট জমা দিলে সার্টিফিকেটও পাওয়া যাবে।

বর্তমান বিশ্বে অনলাইনের ব্যাবহার যেভাবে দিনদিন বাড়ছে, সেভাবে সিকিউরিটির বিষয়গুলোতে অজ্ঞতা যে কারো জন্যই বড় ধরনের বিপদের কারণ হতে পারে। তাই এরকম একটি কোর্স যে কারো জন্যই খুবই প্রয়োজনীয়!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here