জৈবাস্ত্র দ্বারা ধ্বংস করা হবে মানব জাতির অস্তিত্ব, ২০২১

0
66
জৈবাস্ত্র দ্বারা ধ্বংস করা হবে মানব জাতির অস্তিত্ব, ২০২১ সালকে নিয়ে যে ভয়াবহ ভবিষ্যতবাণী করলেন ফরাসি জ্যোতির্বিদ নস্ট্রাদামুস!

পৃথিবীতে ঘটতে পারে এমন ঘটনার ভবিষ্যতবাণী অনেকেই আমরা করে থাকি। এক সম্য পৃথিবী এমন হবে, সব কিছুর পরিবর্তন হবে এবং তা দেখার জন্য হয়তো আমরা থাকব না। যুগে যুগে এমন অনেক মুনি ঋষি এসেছে যারা তাদের বাণী দ্বারা নিজেদের পৃথিবীর বুকে অমর করে রেখে গেছে। ঠিক এমনি একজন ব্যক্তি হলেন নস্ট্রাদামুস যিনি এমন সব ভবিষ্যৎ বাণী করে গেছেন তার জ্ঞান শক্তি দ্বারা যা তাকে এখনো পৃথিবীর বুকে অমর করে রেখেছে। তিনি ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের এবং এই যুদ্ধে উত্থান হওয়া হিটলারের। বলেছিলেন কমিউনিজমের পতন ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের হত্যার কথাও। তিনিও এটাও বলেছিলেন একসময় ইস্রায়েল রাষ্ট্রের গঠন হবে।

 

নিজস্ব প্রতিবেদন: অবিশ্বাস্য সব ভবিষ্যতবাণী করা জ্যোতির বিজ্ঞানির নাম ছিল   নস্ট্রাদামুস। তিনি ছিলেন একজন ফরাসি জ্যোতিষী। তার করা অবিশ্বাস্য সব ভবিষ্যৎ বাণী আজও বিশ্বের মানুষের মনকে নাড়া দেয়, ভাবিয়ে তোলে তাদের। তিনি সর্বমোট প্রায় ৯৪২টি ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন ১৫৫৫ সালে এবং তার মধ্যে অধিক পরিমান বাণী সত্য প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। কিন্তু তার এই বাণী নিয়ে মতবিরোধও রয়েছে অনেক। একদল দাবি করে তার বলা সব ঘটনাই সত্যি হচ্ছে। আবার অন্য মহলের দাবি এই সব ঘটনা নিছকই কাকতালীয়। তাই আজও তার ভবিষ্যতবাণী বিতর্কিত।

নস্ট্রাদামুস যে সব ভবিষ্যতবাণী করেছিলেন তার মধ্যে ২০২০ নিয়েও কিছু বাণী তিনি করেছিলেন। তিনি বলেননি কনো করোনার কথা। তিনি বলেছিলেন ২০২০ সালের দিকে সারা বিশ্বে এক মহামারী আসবে যার ফলে প্রাণনাশও হবে অনেক। তার এই ভবিষ্যতবাণী সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরালও হয়েছিলো অনেক। বলা চলে লোক চর্চিত ছিল অনেক। তার সব বাণীর মধ্যে ২০২১ সালকে নিয়ে করা ভবিষ্যতবাণী ছিল খুবই ভয়ঙ্কর। রাশিয়ার ক্ষমতার কথা আমরা সবাই জানি। সাথে সাথে এটাও জানি রাশিয়া প্রতিদিন নিত্যনতুন সব অস্ত্র তৈরির প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এই প্রচেষ্টার ফলস্বরূপ রাশিয়ার একজন জৈব বিজ্ঞানী একটি জৈবাস্ত্র তৈরি করবে এবং সেই অস্ত্র এতটাই ভয়ঙ্কার হবে যে, ঐ অস্ত্রের প্রয়োগ করে গোটা বিশ্বের মানব জাতির অস্তিত্বকে ধ্বংস করে ফেলা যাবে।

নস্ট্রাদামুসের এই ভবিস্যতবানিকে মানতে নারাজ বিজ্ঞানিমহল। কারন বিজ্ঞান কারো কথা বিশ্বাস করে না। তারা দাবি করে যে পৃথিবী ধ্বংস হবার আগে ভিন্ন ভিন্ন রকম প্রাকৃতিক বিপর্যয় ঘটবে। পৃথিবীর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেখা দেবে ভুমিকম্প। আসবে মহামারী ফলে শুরু হবে দুর্ভিক্ষ। কারন প্রাকিতিক বিপর্যয় ও মহামারীর পর পৃথিবীতে দেখা দেবে বিশাল খাদ্যের সংকট, ধারণা করছে বিজ্ঞানী মহল।

বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রাও বাড়ছে যার ফলে উত্তর মেরুতে জমে থাকা বরফ গলে চলেছে অবিরাম। ফলে সমুদ্রের জলস্তর বেড়ে চলেছে রোজ। এতে করে কোনো এক সময় অতিরিক্ত জল পানি বাড়ার কারণে সমুদ্র উপকূলীয় যে সব দ্বীপ আছে তা পানির নিচে তলিয়ে যাবে। জনসংখ্যা ও শিল্পায়নের কারণে যে হারে উষ্ণায়ন বাড়ছে এবং বরফ গলছে তাতে এমনটা হলে হতবাগ হবার কিছুই নেই।

বিঃ দ্রঃ পবিত্র কোরআনে উপরে উল্ল্যেখিত সব ঘটনার কথা পূর্ব থেকেই উল্ল্যেখ করা আছে।

ReplyForward

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here