মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২০
রাত ১:৩৩

আজ মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১৪ আশ্বিন, ১৪২৭

বিজ্ঞাপন বা যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ +88 01880 16 23 24

Home অন্যান্য কপোতাক্ষ নদের উপর বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে যাওয়ায় মানুষের চরম দূর্ভোগ

কপোতাক্ষ নদের উপর বাঁশের সাঁকো ভেঙ্গে যাওয়ায় মানুষের চরম দূর্ভোগ

যশোর কেশবপুর উপজেলার ত্রিমোহিনী এলাকায় কপোতাক্ষ নদের উপর ঝুকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো রয়েছে।সাঁকোর বাঁশ নষ্ট হওয়ার কারণে সাঁকোটি ভেঙ্গে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মরণফাঁদে পরিনত হয়েছে। তারপরও নিত্য প্রয়োজনীয় কাজের জন্য এলাকার লোকজন ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করছে ভেঙ্গে যাওয়া বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে।

118378822 229033691790586 8885550005884548630 n 1

এছাড়া নৌকায় করে পার হচ্ছে অনেক মানুষ।এই সাঁকোর উপর দিয়ে পার্শ্ববর্তী উপজেলা তালা, কলারোয়া, দেওড়া, নাভারণ, শার্শা,বাকড়া, বেনাপোলের ছাত্র-ছাত্রীসহ হাজার হাজার নারী পুরুষ যাতায়াত করে থাকেন। স্থানীয়দের অভিযোগ ভোটের সময় কপোতাক্ষ নদের উপর দিয়ে সেতু করার স্বপ্ন দেখিয়ে নির্বাচনী বৈতরনী পার হন কিন্তু ভোটে পাস করার পর সেতু তৈরি করার কথা আর মনে থাকে না। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পরেও কপোতাক্ষ নদের উপর সেতু নির্মাণের উদ্যোগ কোন এমপি না নেওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ কমছেনা। গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি নির্মিত হলে কেশবপুর, তালা, কলারোয়া, সাতক্ষীরার লোকজনের জীবনযাত্রা মান পাল্টে যাবে। সাাঁকোর পশ্চিম পাশের লোকজনদের ঝুকি নিয়ে কেশবপুর কলেজ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, ব্যাংকসহ অসংখ্য বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে আসতে হয়। কেশবপুরে তাদের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা কেন্দ্রও রয়েছে। মধুকবির জন্মবার্ষিকী প্রতি বছর ২৫ জানুয়ারী সপ্তাহব্যাপী সরকারিভাবে উদযাপন করা হয়। ঐ সময় বাঁশের সাঁকো দিয়ে হাজার হাজার লোকজন পার হয় জাতীয় মেলা উপভোগ করার জন্য। মেলা উপভোগ করতে এসে দূর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ত্রিমোহিনী ও সাগরদাঁড়ি ভায়া তালা কলারোয়া কপোতাক্ষ নদের উপর সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। কপোতাক্ষ নদের উপর সেতু না থাকায় মানুষ তাদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য কাঁধে বা মাথায় নিয়ে বাঁশের সাঁকো পার হয়। কলারোয়া ও তালা থানার কৃষক অসীম দাস, আব্দুল হালিম, আব্দুল কুদ্দুস, হায়দার আলী, শরিফুল ইসলাম, আব্দুল হান্নান, তরিকুল ইসলাম, জবান আলী, ইউনুস আলী, নজরুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, তরিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, রমজান আলী তাদের কষ্টের কথা জানালেন, তারা বললেন সেতু না থাকায় যানবাহনের অভাবে কাদে ও মাথায় করে সবজি, ধান, পাট নিয়ে ত্রিমোহিনী ও কেশবপুর বাজারে যেতে বাধ্য হন। তাছাড়া বর্ষা মৗসুমে এলাকার স্কুল, কলেজ গুলোতে আসতে হয় ১/২ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে বাঁশের সাঁকোর উপর দিয়ে পার হতে হয়। এলাকাবাসী জানান কপোতাক্ষের উপর একটি সেতু নির্মাণ হলে কেশবপুরে সকল প্রতিষ্ঠানসহ বাজারটিও উন্নত হত এবং প্রতিবছর মধুমেলায় জনগনদের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। দেয়াড়া গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য ও সাকোর সভাপতি বাবর আলী সরদার মন্টু জানান কপোতাক্ষর উপর সেতুটি নির্মাণ হলে কেশবপুর, তালা, কলারোয়ার বিভিন্ন পেশার মানুষের দুর্ভোগ পোহাতে হতো না। এলাকাবাসি জানান তাদের স্বার্থে প্রতিবছর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে এই বাঁশের সাঁকোটি সংস্কার করা হয়। মধুকবির স্বপ্নের কপোতাক্ষ নদের উপর একটি সেতু নির্মিত হলে পাঁচটি উপজেলার মানুষের জীবনযাত্রা পাল্টে যাবে।লেয়াকত আলী জমিদার সাংবাদিকদের জানান আমার উদ্দ্যোগে, নাসির শেখ, মৃত আমির সরদারসহ ২০/২৫ জন মিলে ২০০১ সালে ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২৭৫ ফুট কপোতাক্ষ নদের উপর একটি সাঁকো নির্মাণ করা হয়। ঐ সময় সাঁকো উদ্বোধন করেন এমপি হাবিবুল ইসলাম হাবিব। তিনি উদ্বোধনের সময় সাকোর জন্য ৫০ হাজার টাকা অনুদান দেন। ব্রিজ টি হলে দেয়াড়া,ত্রিমোহিনী ,সাগরদাঁড়ি চিংড়া বাজার সহ আরও কয়েকটি বাজার উন্নত হবে এবং প্রতিবছর মধুমেলায় জনগণের দুর্ভোগ কমবে। ব্রিজটি তৈরি করার জন্য ভুক্তভোগী জনগণ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

মোরশেদ আলম যশোর প্রতিনিধি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -sidebar sqr ad

Most Popular

কোটচাঁদপুর উপজেলার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কর্মির উপর অতর্কিত হামলা

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সলেমানপুর ৪নং ওয়ার্ডের সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম (রনি) অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি জানান, কোটচাঁদপুর পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সহিদুজ্জামান...

পিকাপের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ৩য় বর্ষে অধ্যায়নরত এই ছাত্রী নিতী পড়াশোনার পাশাপাশি একটি পার্ট টাইম জব করতো। জব থেকে নিজের বাসা ভাটারায় ফেরার...

জোহরের নামাজ চার রাকআত হইবার কারণ।

জোহরের নামাজ হযরত ইব্রাহীম আলাইহিসসালাম চারি কারণে চারি রাকআত নামাজ পড়িয়াছিলেন। ১ম রাকআত - আল্লাহ তায়ালা তাঁহার কার্যে রাজী থাকার জন্য, ২য় রাকআত -...

ফজরের নামাজ দুই রাকআত হওয়ার কারণ!

প্রশ্নঃ- নামাজসমূহ ২/৩/৪ রাকআত হইবার কারণ কি? উত্তরঃ- হযরত আদম আলাইহিসসালাম বেহেশত হইতে দুনিয়ায় পতিত হইবার পর যখন রাত্রির অন্ধকার আসিয়া উপস্থিত হইল, তিনি...

Recent Comments