রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০
রাত ৩:৫০

আজ রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০ | ১২ আশ্বিন, ১৪২৭

বিজ্ঞাপন বা যে কোন প্রয়োজনে যোগাযোগ করুনঃ +88 01880 16 23 24

Home জাতীয় বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন আজ

বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মদিন আজ

আজ ৮ অগাস্ট বুধবার জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা  মুজিবের ৮৮তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা  মুজিব। শুভ জন্মদিন বঙ্গমাতা।

 

জাতি আজ বঙ্গমাতার ৮৮তম জন্মবার্ষিকী জাতীয়ভাবে উদযাপিত করবে। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় দিবসটি জাতীয়ভাবে উদযাপনের লক্ষ্যে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

 

বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী প্রদান করেছেন।

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কেবল জাতির পিতার সহধর্মিণীই নন, বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে তিনি নেপথ্য কারিগর। আমাদের মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাঙালির প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকে তাকে পরামর্শ ও সহযোগিতা দিয়েছেন। এমনকি বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে তিনি অসীম ধৈর্য, সাহস ও বিচক্ষণতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন। দেশ ও জাতির জন্য অপরিসীম ত্যাগ, সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও বিচক্ষণতা তাকে বঙ্গমাতায় অভিষিক্ত করেছে।

 

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা  মুজিব যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। বাংলাদেশের ইতিহাসে তার অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দেশ ও জাতির জন্য তার অপরিসীম ত্যাগ, সহযোগিতা ও বিচক্ষণতার কারণে জাতি তাকে যথার্থই ‘বঙ্গমাতা’ উপাধিতে ভূষিত করেছে।

 

শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবন ও সংগ্রাম :

ইতিহাসের কালজয়ী এক মহানায়কের অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে মহানায়িকা হিসেবে বাঙালি জাতি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামের প্রথম থেকে শেষের ধাপে বেগম মুজিবের অবদান বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী হিসেবে নয়, প্রধানমন্ত্রীর মাতা হিসেবে নয় বরং একজন নীরব অভিজ্ঞ সংগঠক যিনি ধূপের মতো নিজেকে বিলিয়ে দিয়ে বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে আলোকবর্তিতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছিলেন এবং বঙ্গবন্ধুকে হিমালয়ের সর্বোচ্চ চূড়ার আসনে অধিষ্ঠিত করেছিলেন। প্রমাণ করেছিলেন বঙ্গবন্ধু তার প্রিয় দেশকে যেমন ভালবাসতেন নিজের থেকেও বেশি তিনিও ছিলেন একই ফ্রেমে বাধা বাংলাদেশের জননী। তাইতো জাতির বঙ্গমাতা হিসেবে আজও বাঙালির প্রেরণার কণ্ঠ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।

বাঙালীর প্রতিটি সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর পেছনে ছায়াসঙ্গী হিসেবে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ছিলেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। তিনি একদিকে যেমন হাল ধরেছিলেন কারাবন্দী স্বামীর রেখে যাওয়া সংসারের, তেমনি কারাবন্দী মুজিব সংগ্রামের কঠিন দিনগুলোতে নেতা ও কর্মী বাহিনীর প্রতি যে নির্দেশ পাঠিয়েছিলেন তা সময় মত এবং যথাযথভাবে বাস্তবায়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছিল তার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। উত্তরাধিকার সূত্রে বেগম মুজিব যতটুকু অর্থ-সম্পদের মালিক হয়েছিলেন তার পুরোটাই তিনি ব্যয় করেছেন নিঃশর্তভাবে সংসার এবং বঙ্গবন্ধুর নির্দেশিত রাজনীতির পেছনে। পুত্রসম শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি, নিজ পুত্র শহীদ শেখ কামাল, কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা, শেখ জামাল এবং কনিষ্ঠ পুত্র শহীদ শেখ রাসেলের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করার সমস্ত দায়িত্ব সূচারুভাবে পালন করেছেন।স্বামীর জন্য কষ্ট করলেও কখনও কোন অনুযোগ ছিল না। তার দায়িত্বশীলতার জন্য পরিবার বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনে প্রতিবন্ধকতার কারণ হয়ে দাড়ায়নি। অভাব-অনটন, কষ্ট, বিড়ম্বনা নীরবে সহ্য করেছেন। কারো কাছে কোন অনুযোগ করেননি। কখনো রাগ করেননি।

১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের বিজয় অবধি বেগম মুজিব ঐতিহাসিক ভূমিকা পালন করেছেন। বঙ্গবন্ধু যখন কারাগারে, বেগম মুজিব পর্দার অন্তরালে দৃঢ় এবং বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিলেন। সেই সময় ছাত্র ও তরুণ সমাজের প্রেরণার প্রধান উৎস ছিলেন বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব।

১৯৬২ সালে বন্ধবন্ধু গ্রেফতার হওয়ার পর তার পক্ষে ধানমন্ডি ৩২ থেকে সার্বিক নির্দেশনা দিতেন বেগম মুজিব। ১৯৬৬-তে বঙ্গবন্ধুর  ছয়দফা আন্দোলনের পক্ষে জনসমর্থন আদায় ও জনগণকে উদ্ধুদ্ধ করতে লিফলেট হাতে রাস্তায় নেমেছিলেন বঙ্গমাতা। কারণ, তিনি বুঝতে পেরেছিলেন বঙ্গবন্ধুর প্রস্তাবকৃত ৬ দফা বাস্তবায়িত হলে বাংলার মানুষ তাদের অধিকার ফিরে পাবে। তাই তিনি জনসমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়েছিলেন এবং বাংলার মানুষের মুক্তির সনদ হিসেবে ৬ দফা প্রতিষ্ঠা পেয়েছিলো। সে সময় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব দেওয়া হয় তখন ঘৃণাভরে বেগম মুজিব তা প্রত্যাখ্যান করেন। বঙ্গবন্ধু নিজেও প্যারোলে মুক্তির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। এই সিদ্ধান্ত বাঙালির মুক্তির সংগ্রামে বড় একটা টার্নিং পয়েন্ট হয়ে দাড়ায়। গবেষকরা এখনো সেই সিদ্ধান্তের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ঐ একটি সিদ্ধান্তই বাংলার স্বাধীনতার আকাশকে উজ্জ্বল দ্যুতির আলোয় মেলে ধরেছিলো। এখানেই বঙ্গমাতা অনন্য, অতুলনীয়। রাজনৈতিক প্রজ্ঞায় তিনি যে কোন সময়ের নেতাকর্মীর চেয়ে অনেক দূর ভাবনায় নিয়ে আসতে পারতেন। আজ থেকে দীর্ঘদিন পর বাংলার আকাশে কি ঘটবে বা ঘটতে যাচ্ছে সেটি তিনি তার দূরদৃষ্টিতা দিয়ে অবলোকন করতে পারতেন। এভাবে তিনি বঙ্গবন্ধুকে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতে পেরেছিলেন এবং প্রতিটি ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের সঠিকতা যাচাই হয়েছিলো।

মহান মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয়টি মাস অসীম সাহস, দৃঢ় মনোবল ও ধৈর্য্য নিয়ে বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা    মুজিব পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন। এমনকি ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ও ২৩ মার্চের পতাকা উত্তোলন বঙ্গবন্ধুর প্রধান উদ্দীপক ও পরামর্শক হিসেবে বিবেচনা করা হয় বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছাকে। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি জোরালো ভূমিকা পালন করেন কিন্তু সামরিক জান্তা প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করেছিলো বঙ্গমাতার স্বাভাবিক জীবনাচরণে। ঐ কঠোর সময়ে তিনি ছেলে শেখ কামালকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সেক্টরগুলোতে নিয়মিত চিঠি দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের খোঁজখবর নিতেন। ১৬ ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের পর দিন ১৭ ডিসেম্বর তার ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের বন্দিদশার অবসান ঘটে। পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু লন্ডনে যান। সেখান থেকে বেগম মুজিবের সঙ্গে তার প্রথম কথা হয়। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। অবসান ঘটে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার দীর্ঘ প্রতীক্ষার। এরপর যুদ্ধ-বিধ্বস্ত দেশ গড়ার কাজেও বঙ্গবন্ধুর পাশে দাঁড়ান তিনি। অনেক বীরাঙ্গনাকে বিয়ে দিয়ে সামাজিকভাবে মর্যাদাসম্পন্ন জীবনদান করেন।

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালরাত অর্থাৎ জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত বেগম মুজিব ছায়াসঙ্গীর মত একজন মহানায়িকা হিসেবে মহানায়কের পাশে ছিলেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তারা ছিলেন একাত্মা। একইসঙ্গে ছিলেন সুখ-দুঃখে-উৎসবে-সংগ্রামে। জীবনের কঠিনতম সময়ে তারা পার করেছেন পারস্পরিক বিশ্বাস আর শ্রদ্ধায়। একজন আদর্শ স্ত্রী হিসেবে এর চেয়ে একজন নারী আর কিইবা করতে পারে! পরিবারকে নিজের বন্ধনে আগলে রেখে মমতাময়ী হিসেবে জীবনের শেষ পর্যন্ত সেবা করতে কয়জনই বা ধৈর্য্য রাখতে পারে! বাঙালী জাতি প্রতিষ্ঠায় একজন সাহসী পর্যবেক্ষক, সংগঠক হিসেবে অসামান্য ভূমিকা রেখেছেন বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব। বঙ্গবন্ধুর মত একজন মহানায়কের আর্বিভাব ছাড়া আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেতাম না। আর এটাও ঠিক মহানায়িকা বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছার অবদানেই মহানায়কের স্বপ্ন সোনার বাংলাদেশ রুপলাভ করে। দেশ ও জাতির জন্য তার এই অপরিসীম ত্যাগ সহমর্মিতা, সহযোগিতা ও বিচক্ষণতাই বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবকে বঙ্গমাতায় অভিষিক্ত করেছে। এক মহীয়সী নারী হিসেবে বঙ্গমাতা বেগম শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের অবিস্মরণীয় ভূমিকা বাঙালি স্মরণে রাখবে চিরদিন।

 

দিবসের কর্মসূচি : 

জন্মদিন উপলক্ষে এদিন সকালে ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতার ওপর একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতারসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক মিডিয়া এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। আওয়ামী লীগের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বনানী কবরস্থানে শহীদ ফজিলাতুন্নেছার সমাধিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ শেষে কোরানখানি, মিলাদ ও দোয়া মাহফিল।

বঙ্গমাতা পরিষদ  বিকাল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে আলোচনা সভা এবং গুণীজনদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণের আয়োজন করেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা  মুজিব হলে  বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা  মুজিব স্মৃতি স্বর্ণপদক, বৃত্তি, স্মৃতি বক্তৃতা ও আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. আখতারুজ্জামান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন।

এছাড়া উইমেন জার্নালিস্ট নেটওয়ার্ক, বাংলাদেশের (ডব্লিউজেএনবি)-এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে আজ সকাল ১১টায়  আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।‘ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা : বাঙালির মুক্তি সংগ্রামে অন্যতম অনুপ্রেরণাদাত্রী’ শীর্ষক এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী এমপি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -sidebar sqr ad

Most Popular

কোটচাঁদপুর উপজেলার ৪নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের কর্মির উপর অতর্কিত হামলা

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর উপজেলার সলেমানপুর ৪নং ওয়ার্ডের সেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি তরিকুল ইসলাম (রনি) অতর্কিত হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি জানান, কোটচাঁদপুর পৌর আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সহিদুজ্জামান...

পিকাপের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী

জানা যায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় ৩য় বর্ষে অধ্যায়নরত এই ছাত্রী নিতী পড়াশোনার পাশাপাশি একটি পার্ট টাইম জব করতো। জব থেকে নিজের বাসা ভাটারায় ফেরার...

জোহরের নামাজ চার রাকআত হইবার কারণ।

জোহরের নামাজ হযরত ইব্রাহীম আলাইহিসসালাম চারি কারণে চারি রাকআত নামাজ পড়িয়াছিলেন। ১ম রাকআত - আল্লাহ তায়ালা তাঁহার কার্যে রাজী থাকার জন্য, ২য় রাকআত -...

ফজরের নামাজ দুই রাকআত হওয়ার কারণ!

প্রশ্নঃ- নামাজসমূহ ২/৩/৪ রাকআত হইবার কারণ কি? উত্তরঃ- হযরত আদম আলাইহিসসালাম বেহেশত হইতে দুনিয়ায় পতিত হইবার পর যখন রাত্রির অন্ধকার আসিয়া উপস্থিত হইল, তিনি...

Recent Comments